টিডিএন বাংলা ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে একজন ‘টুইট দানব’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন সৌদি আরবের একজন প্রভাবশালী কূটনীতিক। তবে তিনি স্বীকার করেছেন, কিছু টুইট বিরক্তিকর হলেও কখনও কখনও এগুলো শুধু ট্রাম্পের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া ছিল। প্রিন্স খালিদ বিন বন্দর বিন সুলতান আল সৌদ নামের এ কূটনীতিক সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে সৌদি রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।

সম্প্রতি ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা গবেষণা প্রতিষ্ঠান রয়েল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউট-এ দেওয়া ভাষণে রিয়াদের মিত্র হিসেবে পরিচিত ট্রাম্পকে নিয়ে এমন মন্তব্য করেন সৌদী রাষ্ট্রদূত। যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত সৌদী কূটনীতিকরা সচরাচর এসব বিষয়ে মন্তব্য করেন না। তবে নীরবতার রীতি ভেঙ্গে এদিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক, সৌদি-ইরান বিবাদসহ সমসাময়িক অন্যান্য বিষয় নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন রাষ্ট্রদূত প্রিন্স খালিদ।

‘সৌদি আরব শুধু নিজের স্বার্থের ব্যাপারেই তৎপর। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া দেশটি টিকতে পারবে না।’ ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের সমালোচনা করে প্রিন্স খালিদ বলেন, রিয়াদ বৈশ্বিক স্বার্থে ভূমিকা রেখেছে। সৌদি চাইলেই তেলের দাম আকাশছোঁয়া করে দিতে পারে। এ থেকে আরও লাখ লাখ ডলার উপার্জন করতে পারে। আমরা এটি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছি। কারণ এটি বিশ্বের জন্য ভালো হতো না। পুরো দুনিয়া অসুস্থ হয়ে পড়লে সৌদি আরবও এর বাইরে থাকতে পারবে না।

তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত প্রতিশ্রুতির নিদর্শন হিসেবেই সৌদিতে সেনা ও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওয়াশিংটন। তবে গত ১০ বছরে এ অঞ্চলের প্রতিটি দুর্যোগে কে লাভবান হয়েছে? প্রতিদ্বন্দ্বী ইরানের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, এখানে নিশ্চিতভাবেই সৌদি আরব লাভবান হয়নি।