টিডিএন বাংলা ডেস্ক : সোমবার সকালে কাতার সফরে রওনা হলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান। সূত্রের খবর, তুর্কি-কাতার হাই স্ট্র্যাটেজিক কমিটির পঞ্চম বৈঠকে যোগ দিতেই এদিন আঙ্কারা থেকে প্রেসিডেন্সিয়াল বিমানযোগে দোহা-র উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি। সফরে তুর্কি প্রেসিডেন্টের প্রতিনিধি দলে থাকবেন দেশটির একাধিক প্রভাবশালী মন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন মিত্র হিসেবে পরিচিত কাতারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে তুরস্কের। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সফর অভিযানের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু কারণ রয়েছে। আঙ্কারার এ অবস্থানের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু কারণ রয়েছে। ২০১৬ সালে তুরস্কের ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানের সময় এরদোয়ানের পাশে দাঁড়ান কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানি। ২০১৫ সালের ১৮ জুন ইবন জিয়াদ সামরিক ঘাঁটিতে প্রথমবারের মতো অবস্থান নেয় তুর্কি সেনারা। যার ফলে কাতারের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি পায়। আর এই যৌথ শক্তি প্রয়োগে সন্ত্রাস দমন করে এই অঞ্চলে খুব সহজেই শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা যাবে। এমনই আশা প্রকাশ করেন উভয় দেশের নেতারা। শুধু তাই নয়, দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক মিত্রতা এতটাই অটুট যে, ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে কাতারে নিযুক্ত তুর্কি রাষ্ট্রদূত বলেন, ভবিষ্যতে তারা কাতারে বিমান ও নৌবাহিনীও মোতায়েন করবে।