টিডিএন বাংলা ডেস্ক: সৌদি সরকার শেষ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে দেশটির সরকারবিরোধী সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যা করার কথা স্বীকার করেছে।
রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত বার্তা সংস্থা এসপিএ এবং রাষ্ট্রিয় টেলিভিশনের নিউজ বুলেটিনে আজ শনিবার ‘প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্টের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে এক ‘মারামারির’ ঘটনায় খাশোগি নিহত হয়েছেন।
সৌদি আরবের সরকারী বার্তা সংস্থা আরও জানিয়েছে, ইস্তাম্বুলে অবস্থিত সৌদি কন্সুলেটে প্রবেশের পরপরই কয়েকজন ‘সাক্ষাৎপ্রার্থী ব্যক্তির সাথে খাসোগির মারামারি’ হয় এবং এর জের ধরে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তবে তাঁর লাশটি কোথায় আছে তা উল্লেখ করা হয়নি। এ ঘটনায় জড়িত থাকার দায়ে সৌদি আরবের উপ গোয়েন্দা প্রধান আহমাদ আল-আসিরি এবং যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানের সিনিয়র সহকারী সৌদ আল-কাহতানিকে বরখাস্ত করা হয়েছে।এছাড়া সৌদি রাষ্ট্রীয় টিভির নিউজ বুলেটিনে বলা হয়েছে, খাশোগি হত্যাকাণ্ডের তদন্তের অংশ হিসেবে ১৮ সৌদি নাগরিককে আটক করা হয়েছে।

সৌদি বাদশাহ সালমান তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলার কিছুক্ষণ পর রাষ্ট্রীয় টিভির নিউজ বুলেটিনে এ ঘোষণা দেয়া হয়।

গত ২ অক্টোবর সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশ করে গুম হয়ে যাওয়ার পর থেকে সৌদি বাদশা সালমান, যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানসহ দেশটির সরকার দাবি করে আসছিল, খাশোগি তার কাজ শেষ করে কনস্যুলেট থেকে বেরিয়ে গেছেন।

বাদশা এবং যুবরাজ খাশোগিকে হত্যা বা এ হত্যাকাণ্ডে নিজেদের জড়িত থাকার বিষয়টি জোর গলায় অস্বীকার করে আসছিলেন।

এদিকে খাসোগি হত্যাকাণ্ডের স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবী করেছেনে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। একইসঙ্গে এ ব্যাপারে হোয়াইট হাউজ’সহ অন্যান্য মার্কিন কর্মকর্তার প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে।

Not available