টিডিএন বাংলা ডেস্ক : পৃথিবীর বৃহত্তম শরণার্থী শিবিরের তকমা পেল বাংলাদেশের কুতুপালং। বর্তমানে কুতুপালং শিবিরের রয়েছেন ৮,৮৬,৭৭৮ জন রোহিঙ্গা শরণার্থী। মায়ানমার সেনাদের অত্যাচারে স্বদেশ ছেড়ে কুতুপালং- এ আশ্রয় নিয়েছেন এই সকল মানুষ। মায়ানমারের রাখাইন অঞ্চলে দীর্ঘ দিন ধরে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন মুসলিম জনগোষ্ঠী রোহিঙ্গারা। ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে মায়ানমারের সেনাবাহিনী তাঁদের বাসস্থানে অগ্নিসংযোগ এবং অসংখ্য রোহিঙ্গাকে শারীরিক অত্যাচার করে। এর ফলে লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হন।

শরণার্থী শিবিরের আয়তন ও লোকসংখ্যার বিচারে সম্প্রতি শীর্ষ স্থান অধিকার করেছে কুতুপালং শরণার্থী শিবির। এই তথ্য জানিয়েছে আমেরিকার মানবাধিকার সংস্থা রেপটিম’র। উল্লেখ্য, এর আগে শীর্ষ স্থানে ছিল কেনিয়ার দাবাব শরণার্থী শিবির।

তবে রোহিঙ্গা শিবির কুতুপালং থেকে সরিয়ে বাংলাদেশের ভাষানচরে স্থানান্তর করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন বাংলাদেশ সরকার। কিন্ত এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন রাষ্ট্রপুঞ্জের মায়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত ইয়াংহি লি। সম্প্রতি তিনি ভাষানচর ঘুরে দেখেন। সোমবার তিনি রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার পরিষদকে জানান, বঙ্গোপসারের ওই দ্বীপটি বাস্তবেই বাসযোগ্য কি না সে বিষয়ে সন্দেহের অবকাশ রয়েছে। ইয়াংহি লি বলেন, রোহিঙ্গাদের সম্মতি ছাড়া অপরিকল্পিত স্থানান্তর করা হলে নতুন সংকট সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।