টিডিএন বাংলা : রোহিঙ্গাদের উপর অত্যাচার অব্যাহত। নিরব আমেরিকা সহ ইউরোপের সভ্য দেশগুলো।সব নিরবতা ভেঙে প্রতিবাদি কন্ঠে মায়ানমারকে তিব্র ভৎষনা করেছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নজিব রাজ্জাক।
রোহিঙ্গার মুসলিমদের পক্ষে দাঁড়ানোটা মানবিক ইস্যু। কে চোটলো কে ফাটলো আর কোন পরোয়া নয়; তিনি সত্যটা সামনে থেকে বলতে ভয় পাননা। মায়ানমারের সঙ্গে বৈদেশিক সম্পর্ক নিয়ে তিনি আর কোন আপোশ করবেন না।
 রোহিঙ্গাদের নির্মম অত্যাচারের বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদ-সভা  হয় । দশ হাজারের ও বেশি মানুষের এই প্রতিবাদী দলের নেতৃত্ব দেন খোদ প্রধানমন্ত্রী।এদের মধ্যে ঘর-বাড়ি ছাড়া রোহিঙ্গারাও সামিল হয়।
উপস্তিত জনতার উদ্দেশ্যে বক্তব্যর সময় তিনি বলেন,”মায়ানমার সরকার বলছে আমরা তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছি। ওরা কি বললো আমি পরোয়া করি না।”
তিনি আরও বলেন,” আমরা মায়ানমার সরকারকে এবং পর্দার আড়ালের আসল ক্ষমতাধারী আন-সু-কি কে জানিয়ে দিতে চাই অনেক হয়েছে, রোহিঙ্গার মুসলিমদের রক্ত নিয়ে খেলা এবার বন্ধ করো।
উল্লেখ্য, মায়ানমারের প্রেসিডেন্টেসিয়াল অফিসের ডেপুটি ডিরেক্টর ইউ জ্ হিতাস্ গত শুক্রবার মালয়েশিয়াকে তাদের দেশের এইসব অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে নিষেধ করেন।
“আমি আজ আপনাদের এখানে প্রধানমন্ত্রী নজিব রাজ্জাক হিসাবে আসেনি,আমি এসেছি একজন মালয়েশিয়ান,একজন মুসলিম হিসাবে।সব সমাবেশের থেকে উত্তম ও সম্মানের সমাবেশ সেটা যা ইসলামের জন্য করা হয়।”-হৃদয় বিগলিত করা মানবিক আবেগ সম্বলিত তাঁর ভাষণে নাজিব রাজ্জাক এভাবেই সভায় তার উপস্থিতির কারণ ব্যাক্ত করেণ।
তিনি মুসলিম জনতাকে আশ্বাস দিয়ে বলেন ইন্দোনেশিয়া ও পিছিয়ে নেই সেখানকার প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের উপর পাশবিক অত্যাচারের বিরুদ্ধে বিশাল মিছিল নিয়ে রাস্তায় নামেন।
 নাজিব রাজ্জাক শান্তিতে নোবেল বিজেতা আং সু কি্ এর প্রবল সমালোচনা করেন। এশিয়ার  এই শান্তির প্রতিকী পায়রা রোহিঙ্গা ইস্যুতে একটিও শব্দ খরচ করতে নারাজ। মালয়েশিয়ার বিদেশ মন্ত্রী আনিফা আমান তাঁকে আলোচনার আহ্বান জানালে সু কি প্রত্যুত্তরে জানান,” যদি আপনি রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে কথা বলে চান তাহলে আমি যেতে পারবো না।”