টিডিএন বাংলা ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপের পর ভারতের সঙ্গে সমস্ত লেনদেন বন্ধ করে দিয়েছিলো পাকিস্তান। এমনকি পাকিস্তান এককভাবে সমঝোতা এক্সপ্রেসও বন্ধ করে দেয়। তারপর আকাশপথ বন্ধের জন্যও ভারতকে হুমকি দেয় পাকিস্তান। কিন্তু এতোকিছু করার পরেও পাকিস্তানকে আবার সেই ভারতেরই দ্বারস্থ হতে হল। সমস্ত তর্জন গর্জন বন্ধ করে শেষে জীবনদায়ী ওষুধের জন্য ফের ভারতেরই দ্বারস্থ হতে হয়েছে ইমরান খানের দেশকে।

সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই পাকিস্তান সরকার ভারতে তৈরি হওয়ার জীবনদায়ী ওষুধ আমদানির জন্য অনুমতি দিয়েছে। ভারত থেকে জীবনদায়ী ওষুধ আমদানির জন্য সোমবার পাকিস্তানের বাণিজ্য মন্ত্রক অনুমতি দিয়ে একটি নোটিশ জারি করেছে। পাকিস্তান বিরাট পরিমানে ভারত থেকে জীবনদায়ী ওষুধ আমদানি করে। সব রকমের ওষুধের জন্য ভারতের ওপর তারা নির্ভরশীল। একটি রিপোর্ট অনুযায়ী পাকিস্তান শেষ ১৬ মাসে ভারত থেকে ২৫০ কোটি টাকার বেশি কেবলমাত্র বিষনাশক টিকা কিনেছে।

দুই সপ্তাহ আগেই পাকিস্তানের “ডন” নামক একটি পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়, ভারতের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক শেষ করার পর বিকল্প ব্যবস্থা না হলে অসুবিধায় পড়বে তারা। ওই দেশের উদ্যোগ সংগঠন এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন অফ পাকিস্তানের তরফে বলা হয় ভারত থেকে আমদানি করা কাঁচামাল কিংবা জীবনদায়ী ওষুধ বাজারে শেষ হয়ে যেতে পারে খুব তাড়াতাড়ি। তাই এই বিষয়ে যদি বিকল্প কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ সম্ভব না হলে ভারতের সঙ্গে আমদানি ব্যবস্থা কিছুটা শিথিল করা উচিত। কিন্তু এখনও পাকিস্তানের কাছে কোন বিকল্প নেই। ফলে ভারতের কাছ থেকে জীবনদায়ী ওষুধ কিনতে বাধ্য হলো পাকিস্তান।