টিডিএন বাংলা ডেস্ক: বেলা গড়াতেই আবার বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠল শ্রীলঙ্কা। রবিবার বিকেল ৩টে পর্যন্ত ৮ টি বিস্ফোরণ হয়েছে। রবিবার সকালে রাজধানী কলম্বোর কয়েকটি তিনটি হোটেল ও তিনটি গির্জা ধারাবাহিক বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৮৫ জনের নিহত হওয়ার খবর মিলেছে। হামলার পর দেশ জুড়ে সন্ধে ৬টা থেকে সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত কার্ফু জারি করা হয়েছে।

কেউ এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।  সকালের ধারাবাহিক বিস্ফোরণের পর আরও একটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে দুপুরে। সংবাদ সংস্থা এএফপি সূত্রে জানা গিয়েছে এমনটাই। কলম্বোর চিড়িয়াখানার কাছে সপ্তম বিস্ফোরণটি ঘটে। এর পরে ফের শ্রীলঙ্কার ওরুগোদাওত্তায় অষ্টম বিস্ফোরণের খবর আসে। এতে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত দুই ব্যক্তি। এটি আত্মঘাতী বিস্ফোরণ বলে মনে করছে শ্রীলঙ্কার পুলিশ।

কলম্বো হামলায় সেনা ডাকল শ্রীলঙ্কা প্রশাসন। শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি মৈত্রীপালা সিরিসেনাও ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন। ঘটনার তীব্র নিন্দা করে দেশের মানুষের পাশে থাকার কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমসিংহে। একটি টুইট করে তিনি বলেন, এ জাতীয় হামলা একেবারেই কাপুরুষোচিত। দেশের প্রতিটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে ও দৃঢ় মনের পরিচয় দিতে অনুরোধ জানান তিনি।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে ফোনে কথাও হয়েছে তাঁর। নরেন্দ্র মোদী গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন এই ঘটনায়। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী কে পালানিস্বামী, উপমুখ্যমন্ত্রী ও পনিরসেলভাম এই গণহত্যার তীব্র নিন্দা করেন। ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেন ব্রিটেনের মুখ্যমন্ত্রী থেরেসা মে।