টিডিএন বাংলা ডেস্ক: সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে গণ-সংস্কৃতি দলের উদ্যোগে মরহুম রাজনীতিক অলি আহাদের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী ও মরহুম চলচ্চিত্রকার চাষী নজরুল ইসলামের ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় অংশ নিয়েছিলেন বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল। দৈনিক দিনকাল পত্রিকার খবর অনুযায়ী সেখানে হাসিনা সরকারের তীব্র সমালোচনা করার পাশাপাশি রোহিঙ্গা ইস্যুতে মন্তব্য করেন।
মিয়ানমার থেকে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র চলছে বলে অভিযোগ করে বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, আমাদের রোহিঙ্গা সমস্যা এটা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা। এটাকে খাটো করে দেখবার কোনো উপায় নেই। আজকে রোহিঙ্গাদেরকে কেন্দ্র করে যেমন আমরা দেশে অত্যন্ত বড় বিপদে পড়েছি,  তেমনি একটা বড় আন্তর্জাতিক চক্রান্ত চলছে। ডা. জাফরুল্লাহ সাহেব বলেছেন যে,  এখানে আরেকটা প্যালেস্টাইন তৈরি করবার কাজ শুরু হয়েছে। অর্থাৎ এই ভূখন্ড থেকেই আরেকটা লড়াই হবে,  একটা ব্যাটেল ফিল্ড  তৈরি হবে। সেই ব্যাটেল ফিল্ড তৈরি করার এই ষড়যন্ত্র। সেজন্য ২৫ আগস্ট রোহিঙ্গারা আসার পরে পরেই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বিবৃতি দিয়েছেন এবং তিনি বলেছেন, তাদেরকে (রোহিঙ্গা) সাময়িকভাবে আশ্রয় দিতে হবে। কখনই স্থায়ীভাবে তাদেরকে মেনে নেয়া যাবে না। এজন্যেই মিয়ানমার সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করে তাদের ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হবে।  ১৯৭৮ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়া করেছিলেন,  ৯২-৯৩ সালে বেগম খালেদা জিয়া করেছিলেন। আপনারা (সরকার) কেন এতো দেরি করলেন। মির্জা ফখরুল বলেন,  আমরা এই বিষয়ে কোনো রাজনীতি করতে চাই না। আমরা বলেছি সরকারকে জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি করেন, আমরা আপনাদের সঙ্গে কাজ করতে চাই সমানভাবে। আমরা সহযোগিতা করতে চাই। জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি করার অর্থ হচ্ছে সরকারের হাতকে শক্তিশালী হবে এটাকে দরকষাকষির জন্যে। আমরা মনে করি,  জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি হলে আজকে সমস্যা সমাধান অনেক বেগবান হতো।