টিডিএন বাংলা ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পে তার নিজস্ব স্বার্থে দেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করেছেন কি না সেই বিষয়ে তদন্ত করছেন ডেমোক্র্যাটরা। সেবিষয়ে প্রমাণিত হলে তাকে অভিশংসন করার উদ্যোগ নেবেন ডেমোক্র্যাটরা। কিন্তু ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিশংসন তদন্তে সহযোগিতা করবে না হোয়াইট হাউজ। প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্র্যাট নেতাদের চিঠি দিয়ে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তদন্তকে হোয়াইট হাউজ ভিত্তিহীন ও সাংবিধানিকভাবে অবৈধ বলে উল্লেখ করেছে।

সোমবার ইউরোপীয় ইউনিয়নে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষ্য প্রদানে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পরই হোয়াইট হাউজ তার নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানাল। প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি, তিনটি কমিটির প্রধানদের কাছে চিঠি লিখেছেন হোয়াইট হাউজের কাউন্সেল প্যাট সিপোলনি। আট পৃষ্ঠার চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেছেন, তদন্ত কমিটি গঠনের মাধ্যমে সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলির লঙ্ঘন ঘটানো হয়েছে। আর ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদে তদন্তের ব্যাপারে কোনো ভোটাভুটিও করেননি। তাই এটা সাংবিধানিকভাবে অবৈধ।

চিঠিতে আরো অভিযোগ করা হয়েছে, ডেমোক্র্যাটরা ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফল পরিবর্তন করতে চাইছেন এবং জনগণকে তাদের পছন্দের প্রেসিডেন্ট থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করছেন। মার্কিনিদের প্রতি নিজের কর্ত্যব্য পালন করতে প্রেসিডেন্ট ডেমোক্র্যাটদের অবৈধ তদন্তে অংশ নিতে পারেন না বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন প্যাট সিপোলনি।

চিঠির জবাবে স্পিকার পেলোসি বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আইন ভাঙাকে স্বাভাবিক করতে চাইছেন। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট আইনের ঊর্ধ্বে নন, তাকে জবাবদিহি করতে হবে। সাবেক মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও তার ছেলে হান্টারের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে ইউক্রেন প্রেসিডেন্টকে আহ্বান জানানোর পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। এমনকি ট্রাম্প তার কথা না শুনলে সামরিক সহায়তা বন্ধেরও হুমকি দেন। তবে কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটে রিপাবলিকানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ায় সেটা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন।