যারা রোহিঙ্গা এসব হাফেজাদের বিয়ে করেন তারা সবাই মাওলানা ও কর্মক্ষম। আলেমদের একজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা সম্পূর্ণ মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে ও ইসলামী বিধানকে সমুন্নত রাখতে সর্বোপরি অন্যান্য তরুণদের হৃদয়ে আগ্রহ সৃষ্টির লক্ষেই এ বিয়ে করেছেন। দেশীয় আইন মেনে বিয়ে করেছেন কিনা জিজ্ঞেস করলে তারা বলেন, অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে তাদেরকে পরিপূর্ণ দেশীয় আইন মেনে বিয়ে করেছি।
ভীনদেশী রোহিঙ্গা নারীকে বিয়ে করে কেমন অনুভব করছেন?একজন আলেম  মহান রবের কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন করে বলেন, “জীবনটা কতদিনের? ভোগ বিলাস বা কতদদিনের? পরিশেষে একদিন চলেই যেতে হবে। দুইদিনের পৃথিবীতে যদি অল্প একটু দীনের খেদমাত করে যেতে পারি। তাহলে কেয়ামাতের দিন অন্তত নাজাতের একটি মাধ্যম পাওয়া যাবে বলে মনে করি। তাছাড়া বর্তমান প্রেক্ষাপটে রোহিঙ্গা অসহায় নারীদের বিয়ে করে আল্লাহর কাছে উত্তম প্রতিদান প্রত্যাশা করি। আল্লাহ যেনো আমাদেরকে উত্তম প্রতিদান দেন”। জানা গেছে,এখনও অনেক রোহিঙ্গা নারী অসহায় জীবন কাটাচ্ছেন।তাঁদের অনেকেই পবিত্র কুরআনের হাফেজা। কোনও মুসলিম যুবক যদি তাঁদের বিয়ে করে নেন তবে তাঁদের জীবনও খুশিতে কাটবে বলে অনেকের দাবি।তবে এই ঘটনায় আলেম সমাজের প্রসংসা করেছেন অনেকেই। এখনও যে খাঁটি ও ইসলাম দরদী বীর আলেম, মাওলানা আছেন তার প্রমান এই ঘটনা।