টিডিএন বাংলা ডেস্ক: শ্বেত সন্ত্রাসবাদ উদীয়মান বা আসন্ন কোনো হুমকিই নয়। এমনটাই মনে করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্পের মতে, তিনি শ্বেত সন্ত্রাসবাদকে উদীয়মান বা আসন্ন কোনো হুমকি হিসেবে দেখেন না। নিউজিল্যান্ডের ২টি মসজিদে উগ্র খ্রিস্টান সন্ত্রাসীদের গুলিতে ৪৯ জন নিহত হওয়ার পর ট্রাম্প এই প্রতিক্রিয়া দেন। তাঁর এই মন্তব্য নিয়ে নানা মহলে আলোড়ন তৈরি হয়েছে।

হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকরা ট্রাম্পের কাছে জানতে চান- তিনি শ্বেত সন্ত্রাসবাদকে উদীয়মান হুমকি হিসেবে দেখেন কিনা। জবাবে ট্রাম্প বলেন, “সত্যিই আমি মনে করি, এরা সংখ্যায় খুবই অল্প কিছু মানুষ, যাদের মারাত্মক সমস্যা আছে।”

ট্রাম্পের এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেছেন আমেরিকার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের অভিবাসন নীতির কারণে পশ্চিমী দুনিয়ায় উগ্র ডানপন্থি গোষ্ঠীগুলো ও শ্বেত-বর্ণবাদীরা উৎসাহিত হয়েছে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা আরো বলছেন, আমেরিকায় উগ্র চরমপন্থা বাড়ছে এবং দেশের ভেতরে ও বাইরে চরমপন্থিদের হামলার জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দায় নিতে হবে।

নিউজ্যিলান্ডের ২টি মসজিদে ব্রেন্টন টেরেন্ট নামে এক সন্ত্রাসী হামলা চালায়। তবে বাইরে গাড়িতে তার কয়েকজন সহযোগী ছিল। কিন্তু আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে গাড়ির ভেতরে থাকা সহযোগীদের বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং শুধু ব্রেন্টনকে তুলে ধরা হচ্ছে। এতে শ্বেত-সন্ত্রাসবাদীদের সংগঠিত অবস্থা আড়ালের চেষ্টা চলছে বলেই মনে করা হচ্ছে।