টিডিএন বাংলা ডেস্ক : কুলভূষণ যাদবের মামলার বিষয়ে চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশ স্থগিত রাখতে পাকিস্তানকে নির্দেশ দিয়েছে দ্য হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিজে)।
আইসিজে’র চেয়ারম্যান রনি আব্রাহাম বলেন, যাদবের ব্যাপারে চলমান মামলার চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত পাকিস্তান তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে পারবে না। সর্বসম্মতিক্রমে ওই সিদ্ধান্তটি নেয়া হয়েছে।
এর আগে কুলভূষণ যাদবের মৃত্যুদণ্ডাদেশ স্থগিত করার জন্য আইসিজের শরণাপন্ন হয় কেন্দ্র।
সোমবার জরুরি ভিত্তিতে শুনানিতেও জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক আদালতের কাছে কেন্দ্রের আবেদন ছিল কুলভূষণের দণ্ডাদেশ ঠেকানোর।
২০১৬ -র মার্চে পাকিস্তানে আটক হয়েছেন যাদব। পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের অভিযোগ, যাদব ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার স্পাই হিসেবে কাজ করেন। গত মাসে তার মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন পাকিস্তানের আদালত।
জম্মু ও কাশ্মিরে সন্ত্রাসী হামলা, পাকিস্তানিদের হাতে দুই ভারতীয় সৈনিকের মৃত্যুর ঘটনায় আন্তর্জাতিক আদালতে যায় ভারত-পাকিস্তান।
কেন্দ্র আশঙ্কা করে, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের চূড়ান্ত রায়ের পূর্বেই পাকিস্তান যাদবের ফাঁসি কার্যকর করতে পারে। শুনানির সময় কেন্দ্র অভিযোগ করেছে, যাদবকে গ্রেফতারের অনেক দিন পার হয়ে গেলেও দিল্লিকে তা অবহিত করেনি পাকিস্তান।
যাদবকে তার অধিকার সম্পর্কে অবগত করতেও তারা ব্যর্থ হয়েছে। যাদবের ব্যাপারে পাকিস্তান জেনেভা কনভেনশনের বিধানও লঙ্ঘন করেছে বলে দাবি করে ভারত।
পাকিস্তান জাতীয় মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে কি না, সে ব্যাপারেও জাতিসংঘের কাছে প্রশ্ন তুলেছে কেন্দ্র।
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাদব একজন নির্দোষ ভারতীয় নাগরিক। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে পাকিস্তানে আটক রয়েছেন তিনি। সঠিকভাবে তথ্য না জানানোর কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। আর এখন তিনি ফাঁসির আসামি।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে পাকিস্তান বলছে, গত বছরের আগস্ট পর্যন্ত যাদবের আইনি লড়াইয়ের সময় ছিল। পাকিস্তানের বেসামরিক নাগরিক ও সার্বভৌমত্বের ওপর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাতে ভারত তাকে পাঠিয়েছিল।
এর আগে ১৯৯৯ সালে আইসিজে’র শরণাপন্ন হয় ভারত-পাকিস্তান।
[8:30 PM, 5/18/2017] Ibrahim Mondal: গ্রুপ-ডি পরীক্ষা : ছয় হাজার পদের জন্য ২৫ লক্ষ আবেদন

টিডিএন বাংলা ডেস্ক : আগামী ২০ মে শনিবার রাজ্য সরকারের চতুর্থ শ্রেণীর (গ্রুপ-ডি) কর্মী নিয়োগের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম দফার পরীক্ষায় ৬ হাজার পদের জন্য আবেদন জমা পড়েছে ২৫ লাখ। সব দফতর মিলিয়ে রাজ্যে প্রায় ২৫ হাজার গ্রুপ-ডি’র পদ খালি রয়েছে।
পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে জোরদার প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজ্য সরকার। নবান্নে গ্রুপ-ডি’র পরীক্ষা নিয়ে সোমবার রাজ্যের পরিবহন, রেল দফতরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন গ্রুপ-ডি বোর্ডের কর্মকর্তারা। এছাড়া নবান্ন থেকে জেলা শাসকদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সেও কথা হয়েছে। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।
বৈঠক শেষে বিস্ময় প্রকাশ করে এক কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রায় ২৫ লাখ পরীক্ষার্থীর সঙ্গে গড়ে একজন অভিভাবক ধরলে সংখ্যাটা দাঁড়াবে ৫০ লাখ। গঙ্গাসাগরে ৫ লাখ তীর্থযাত্রীকে সামলাতে হিমসিম খায় প্রশাসন। সেখানে শনিবার সারা রাজ্যে রাস্তায় থাকবেন ৫০ লাখ মানুষ! যাদের একটা বড় অংশই শহরমুখী।’
সে দিন তাই সকাল থেকেই সড়ক ও জলপথ পরিবহনকে বাড়তি পরিষেবা দিতে বলা হয়েছে।