টিডিএন বাংলা ডেস্ক: ঘুরে দাঁড়ানোর সব চেষ্টা ব্যর্থ। নজিরবিহীন বাম বিপর্যয় বাংলায়।একমাত্র যাদবপুর বাদে বাকি সব কেন্দ্রে জামানত বাজেয়াপ্ত সিপিএম সহ বাম প্রার্থীদের। জেতা দূর অস্ত! একটি আসনেও বামেরা ২ নম্বরে উঠে আসতে পারেনি। একমাত্র মালদা দক্ষিণ আসন ছেড়ে রেখে বাকি ৪১ আসনে প্রার্থী দিয়েছিল বামেরা। গতকাল বিকেল ৫টা পর্যন্ত যা ট্রেন্ড ছিল, তাতে সব কেন্দ্রেই জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার পথে বামেদের।

নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, প্রদত্ত ভোটের ছয় ভাগের এক ভাগ ভোট পেলে জামানত রক্ষা হয়। যা শতাংশের হিসেবে ১৬ শতাংশের সামান্য বেশি। যাদবপুরের সিপিএম প্রার্থী বিকাশরঞ্জন পেয়েছেন ২০.৯৯ শতাংশ ভোট। অর্থাৎ তাঁর জামানত রক্ষা পেল। বাকি কেন্দ্রে জামানত রক্ষা করতে পারেনি বামেরা। মহম্মদ সেলিম এবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন রায়গঞ্জ থেকে। গতকাল বিকেল ৫ টা পর্যন্ত তাঁর প্রাপ্ত ভোট ১৩.৭৭ শতাংশ। ১০১৪ সালে বামেরা জিতেছিল মুর্শিদাবাদ আসনটি। এবার সেখানে প্রার্থী হয়েছিলেন বদুদ্দোজা খান। তিনি পেয়েছেন ১২.৭৫ শতাংশ ভোট। কলকাতা দক্ষিণ কেন্দ্রে নন্দিনী মুখোপাধ্যায় পেয়েছেন ১১.৩৮ শতাংশ ভোট। দমদম কেন্দ্রের সিপিএমের নেপালদেব ভট্টাচার্য পেয়েছেন ১৩.৭৭ শতাংশ ভোট। বারাকপুর কেন্দ্রের গার্গী চট্টোপাধ্যায় পেয়েছেন ১১.৭৬ শতাংশ। ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে সিপিএমের হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন ফুয়াদ হালিম। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ৬.৪৩ শতাংশ। একদা বাম দূর্গ বলে পরিচিত জলপাইগুড়িতে সিপিএম প্রার্থী পেয়েছেন ৪.৭৬ শতাংশ ভোট। বোলপুরে রামচন্দ্র ডোম পেয়েছেন ১০ শতাংশ ভোট।

স্বাভাবিকভাবে এই বেনজির ফলে বামেদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ঘনিয়ে আসতে পারে। এত তাদের ঘুরে দাঁড়ানো যে আরও অসম্ভব হয়ে উঠল, তা বলাই যায়।