টিডিএন বাংলা ডেস্ক : দিল্লি, উত্তরপ্রদেশের পর এবার বিহারের গয়া। বিদ্বেষের কুবার্তা যেন গিলে খেতে আসছে ভারতীয় সমাজকে। রবিবার
গয়া থেকে ভাগলপুরে যাওয়ার জন্য টিকিট কেটে ট্রেনে চেপে বসেছিলেন একজন ইমাম। ইমামের নাম গুলজার আহমেদ। তার বাড়ি ভাগলপুরে। তিনি গয়ার একটি মসজিদে ইমামতি করেন। গুলজার ট্রেনে যে তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন, তাতে স্পষ্ট যে আর একটি জুনেইদ-কাণ্ড হওয়ার থেকে বরাতজোরে বেচে গিয়েছেন ওই ইমাম। গুলজার বলেছেন, তিনি যখন ট্রেনে ওঠেন তখন ট্রেনটি ফাকা ছিল। আস্তে আস্তে যাত্রীদের ভিড় জমতে থাকে। এরপরই একজন ছেলে। হঠাৎ তার দিকে তেড়ে এসে জামার কলার টেনে এমন ধাক্কা দেয় যে, তিনি পড়ে যান। তখন অনেক লোক ‘মারো মারো’ বলে চিৎকার করতে থাকে। এগিয়েও আসে অনেকে। কেউ বলে, ‘ওর মোবাইলটা নিয়ে নে। কেউ বলে, ‘ওর জামা ছিড়ে দে। কিন্তু কামরার ৫-৬ জন মহিলা যাত্রী হাতজোড় করে তাদের মারতে বারণ করেন। ওরা তখন গুলজারের ব্যাগ জুড়ে ট্রেনের বাইরে ফেলে দিয়ে গুলজারকে পাজাকোলা করে।
ট্রেনের এমার্জেন্সি জানালা দিয়ে বার করে দেয়। এরপরও গুলজার চলন্ত ট্রেনের জানালা আঁকড়ে থাকে। এইভাবে তিনি পাশের কামরায় গিয়ে লুকিয়ে পড়েন। এরপর পরের স্টেশনে নেমে পড়ে নিজের প্রান বাঁচান। (দৈনিক কলম)