নিজস্ব সংবাদদাতা, টিডিএন বাংলা, কলকাতা: লকডাউনের সময় জুমার নামাযে ইমাম সাহেবের সঙ্গে কেবলমাত্র তিনজন মুক্তাদী রাখার ব্যবস্থা করুন। এমনটাই আহ্বান জানালেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য জমিয়তে উলামায়ের নেতারা। মুসলিমদের উদ্দেশ্যে এক জরুরি বার্তায় সংগঠনের রাজ্য সভাপতি মুফতি দবির হুসাইন ও সম্পাদক কাজী শামসুদ্দিন আহমেদ জানান, ‘নিজ ও দেশকে বিপদমুক্ত রাখতে প্রত্যেকে বাড়িতে অবস্থান করুন; অনিবার্য কারণ ছাড়া কেউ বাড়ি হতে বের হবেন না। দ্বীনে ইসলামে শিয়ার ( গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন) হিসেবে মহল্লার প্রতিটি মসজিদে নিয়মমাফিক মাইকে আজান চালু রাখুন। আজানের শেষে মাতৃভাষায় এই মর্মে ঘোষণা দিন– ‘আপাতত ফরজ নামাজ নিজ নিজ বাড়িতে আদায় করে নিন’।


পাঁচ ওয়াক্ত মসজিদে যথাসময়ে আজান ও জামাআত অনুষ্ঠিত হোক। তবে জামাআতে ইমামের পিছনে তিনজন মুক্তাদী রাখার ব্যবস্থা করুন; এজন্যে মসজিদ কমিটি অতিসত্তর মাসোয়ারা( পরামর্শ) করে সিদ্ধান্ত নিন।’


সংগঠনটি আরও বলছে,যতদিন লকডাউন বলবৎ ততদিন জুমার নামাযে ইমাম সাহেবের সঙ্গে কেবলমাত্র তিনজন মুক্তাদী রাখার ব্যবস্থা করুন। অন্যান্য মুসল্লিরা নিজ নিজ বাড়িতে জুমার দিন একাকী (জুমার পরিবর্তে) জোহরের নামায আদায় করে নিন। ইমাম সাহেবরা প্রতি ওয়াক্তের নামায সংক্ষিপ্ত ক্বিরাত সহযোগে আদায় করুন। আর জুমার দিনগুলিতে নামাযের পূর্বে ‘খুৎবা’ অতি সংক্ষেপে পেশ করুন। আজান ও জামায়াতের মাঝে ১৫-২০ মিনিট ব্যবধান রাখুন। যে ক’জন জামাআতে শরিক হবেন তাঁরা মসজিদে কেবল ফরজ নামাজটুকু আদায় করুন; সুন্নাত ও নফল নামায বাড়িতে আদায় করে নিন।
জমিয়তে উলামার উপদেশ, মহল্লার প্রতিটি মসজিদে এক থেকে দু’জন ই’তেকাফে বসুন; যারা আসন্ন বিপদ থেকে পরিত্রানের জন্য বিশ্বমানবের দুয়া করতে থাকবেন। বিশেষ করে আমাদের দেশ ভারতের জন্য নিরাপত্তা স্থিতিশীলতা সমৃদ্ধি ও সার্বিক কল্যাণের জন্য ই’তেকাফরত অবস্থায় দুয়া চাইতে থাকবেন। নারী পুরুষ নির্বিশেষে বাড়িতে সময় নামাজ আদায়ের প্রতি যত্নবান হোন। যাবতীয় পাপাচার থেকে দূরে থাকুন এবং বেশি বেশি তওবা ‘ইসতিগফার’ করুন।


সংগঠনটি বলছে, এই সময় জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে অভাবগ্রস্ত ও অসহায় মানুষদের প্রতি সহানুভুতির হাত বাড়িয়ে দিন। বিশেষ করে সম্পদশালীরা অধিকপরিমানে দান খয়রাত করতে থাকুন প্রকাশ থাকে যে জমিয়ত ওলামায়ে হিন্দ এর সর্বভারতীয় সভাপতি জনাব মৌলানা সৈয়দ আরশাদ মাদানী এই বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে বিবৃতি দিয়েছেন।
বিবৃতিতে মানুষের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়ে বলা হয়েছে, অযথা ভীত সন্ত্রস্ত না হয়ে আসুন আমরা সদাসতর্ক থাকি। মনে রাখবেন সতর্কতা অবলম্বন করা তাওয়াক্কুলের (আল্লাহ নির্ভরতা) পরিপন্থী নয়।

স্থা করুন; এজন্যে মসজিদ কমিটি অতিসত্তর মাসোয়ারা( পরামর্শ) করে সিদ্ধান্ত নিন।’
সংগঠনটি আরও বলছে,যতদিন লকডাউন বলবৎ ততদিন জুমার নামাযে ইমাম সাহেবের সঙ্গে কেবলমাত্র তিনজন মুক্তাদী রাখার ব্যবস্থা করুন। অন্যান্য মুসল্লিরা নিজ নিজ বাড়িতে জুমার দিন একাকী (জুমার পরিবর্তে) জোহরের নামায আদায় করে নিন। ইমাম সাহেবরা প্রতি ওয়াক্তের নামায সংক্ষিপ্ত ক্বিরাত সহযোগে আদায় করুন। আর জুমার দিনগুলিতে নামাযের পূর্বে ‘খুৎবা’ অতি সংক্ষেপে পেশ করুন। আজান ও জামায়াতের মাঝে ১৫-২০ মিনিট ব্যবধান রাখুন। যে ক’জন জামাআতে শরিক হবেন তাঁরা মসজিদে কেবল ফরজ নামাজটুকু আদায় করুন; সুন্নাত ও নফল নামায বাড়িতে আদায় করে নিন।
জমিয়তে উলামার উপদেশ, মহল্লার প্রতিটি মসজিদে এক থেকে দু’জন ই’তেকাফে বসুন; যারা আসন্ন বিপদ থেকে পরিত্রানের জন্য বিশ্বমানবের দুয়া করতে থাকবেন। বিশেষ করে আমাদের দেশ ভারতের জন্য নিরাপত্তা স্থিতিশীলতা সমৃদ্ধি ও সার্বিক কল্যাণের জন্য ই’তেকাফরত অবস্থায় দুয়া চাইতে থাকবেন। নারী পুরুষ নির্বিশেষে বাড়িতে সময় নামাজ আদায়ের প্রতি যত্নবান হোন। যাবতীয় পাপাচার থেকে দূরে থাকুন এবং বেশি বেশি তওবা ‘ইসতিগফার’ করুন।


সংগঠনটি বলছে, এই সময় জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে অভাবগ্রস্ত ও অসহায় মানুষদের প্রতি সহানুভুতির হাত বাড়িয়ে দিন। বিশেষ করে সম্পদশালীরা অধিকপরিমানে দান খয়রাত করতে থাকুন প্রকাশ থাকে যে জমিয়ত ওলামায়ে হিন্দ এর সর্বভারতীয় সভাপতি জনাব মৌলানা সৈয়দ আরশাদ মাদানী এই বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে বিবৃতি দিয়েছেন।
বিবৃতিতে মানুষের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়ে বলা হয়েছে, অযথা ভীত সন্ত্রস্ত না হয়ে আসুন আমরা সদাসতর্ক থাকি। মনে রাখবেন সতর্কতা অবলম্বন করা তাওয়াক্কুলের (আল্লাহ নির্ভরতা) পরিপন্থী নয়।