Asaram Bapu Rape Case
টিডিএন বাংলা ডেস্ক : জোধপুর সেন্ট্রাল জেল পরিসরে নাবালিকা ধর্ষণ মামলায় বাবা আসারামকে ধর্ষক বলে মেনে নিল আদালত। কোর্ট জানিয়েছে আসারামের বিরুদ্ধে প্রমাণ বলছে যে তিনি একজন ধর্ষক। রাজস্থান হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে জোধপুর সেন্ট্রাল জেল পরিসরেই নিজেদের রায় শোনায় নিম্ন আদালত। আসারাম বিগত ৪ বছর ধরে এই জেলেই বন্দি রয়েছেন। এসসি/এসটি আদালতের বিশেষ বিচারপতি মধুসূদন শর্মা এই রায় শোনান।
জেনে নিন এই মামলায় কবে কোথায় কি কি ঘটেছিল!
আসারামের বিরুদ্ধে উত্তরপ্রদেশের শাহজাঁহাপুরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে। এই কিশোরী মধ্যপ্রদেশের ছিদবাড়ায় অবস্থিত তাঁরই আশ্রমে পড়াশোনা করত।
জোধপুরের কাছে অবস্থিত মনাই এলাকার অপর একটি আশ্রমে ২০১৩ সালের ১৫ আগষ্ট রাতে তাঁকে ডেকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ করেছিল ওই নাবালিকা।
২০১৩ সালের ১৯ আগষ্ট, নয়া দিল্লির কমলা নগর থানায় প্রায় রাত ১১টার সময় আসারামের বিরুদ্ধে এফআইআর করে ধর্ষিতা ও তাঁর পরিবার।
১৯ আগষ্টই অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর ওই ধর্ষিতার মেডিক্যাল চেক আপ করানো হয় এবং রাত প্রায় ২টা নাগাদ মামলা দায়ের করা হয়।
২০১৩ সালের ২০ আগষ্টের সকালে ধারা ১৬৪ অনুযায়ী ধর্ষিতার বয়ান রেকর্ড করা হয়। দিল্লি থানায় দায়ের হওয়া জিরো এফআইআর পাঠানো হয় যোধপুরে।
২০১৩ সালের ২১ আগষ্ট, যোধপুর পুলিশ মামলা দায়ের করে এবং আসারামের বিরুদ্ধেও কয়েকটি মামলা দায়ের হয়।
২০১৩ সালের ৩১ আগষ্ট, মামলা দায়ের করার পর জোধপুর পুলিশের একটি দল ইন্দোর পৌঁছে আসারামকে গ্রেফতার করে।
২০১৩ সালের ৬ নভেম্বর, আসারামের বিরুদ্ধে আদালতে চালান পেশ করে পুলিশ। ২৯ নভেম্বর এবিষয়ে শুনানি করে আদালত।
২০১৪ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি, আদালতে আসারাম ও সহ শিল্পী, শরদ ও প্রকাশের বিরুদ্ধে অভিযোগ নির্ধারণ করে।
২০১৬ সালের ৪ অক্টোবর, আসারামের বয়ান রেকর্ড করা হয়। নিজ বয়ানে নিজেকে নির্দোষ বলেন আসারাম।
২০১৮ সালের ৭ এপ্রিল, এসসি/এসএসটিভ আদালতে মামলার বিতর্ক সম্পূর্ণ হয়।
২০১৮ সালের ২৫ এপ্রিল, আসারামকে ধর্ষক আখ্যা দেয় আদালত।