ছবি : দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

টিডিএন বাংলা ডেস্ক : সঙ্গে ছিল প্রয়োজনীয় নথি। যা থেকে স্পষ্ট যে, তারা ভারতীয় নাগরিক। তবু ‘বে-আইনি অনুপ্রবেশকারী বিদেশি’ তকমার গ্লানি নিয়েই কাটাতে হল জীবনের শেষ দিনটাও। আসামের এক উদ্বাস্তু ক্যাম্পেই জীবনের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন তাঁরা। মৃতদের নাম সুব্রত দে (৩৭) ও মুহাম্মদ জব্বার আলি (৭০)।
ময়নাতদন্তের রিপোর্ট বলছে, চলতি বছরের ২১ মে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্য হয় সুব্রতর। আর ৪ অক্টোবর বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্য হয় জব্বারের। জানা গিয়েছে, দু’মাস আগে সুব্রতকে গোয়ালপাড়া শনাক্তকরণ ক্যাম্পে আনা হয়েছিল। আর জব্বার তিন বছর ধরে তেজপুর শনাক্তকরণ ক্যাম্পে ছিলেন।
সুব্রত ও জব্বারের মতো ৯০০-র বেশি ‘সন্দেহভাজন’ আসামের কোকড়াঝাড়, তেজপুর, ডিব্রুগড় ও শিলচরের ৬টি উদ্বাস্তু ক্যাম্পে রয়েছে। রাজ্যের ১০০টির বেশি ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালে মামলা চলার পর তাদের ভবিতব্য এখন এই উদ্বাস্তু শিবিরগুলি। উল্লেখ্য, সর্বভারতীয় ইংরেজি দৈনিক ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস সুব্রত ও জব্বারের যাবতীয় নথি খতিয়ে দেখেছে। সেখানে স্পষ্ট ১৯৫১ সালের এনআরসিতে তাদের পরিবারের নাম নথিভুক্ত রয়েছে।

Not available