তিয়াষা গুপ্ত, টিডিএন বাংলা: রাফালে নয়, কৃষক সমস্য নয়, বেকারত্ব নয়, সন্ত্রাসবাদও নয়। এই মুহূর্তে লোকসভা ভোটে বিরোধীদের একটাই এজেন্ডা মোদী হাটাও- দেশ বাঁচাও। গতকাল বিশাখাপত্তমে কেজরিওয়াল থেকে মমতা যেভাবে মোদী বিরোধিতার সুর চড়ালেন, তাতে আরো একবার এই কথাটাই স্পষ্ট।

দিল্লি হোক কিংবা লখনউ, বাংলা কিংবা বিশাখাপত্তনম- সর্বত্রই বিরোধীরা এক সুরে মোদী হটানোর ডাক দিচ্ছেন। নির্বাচন মানে নানা ইস্যু। নানা এজেন্ডা। কিন্তু এবার অন্য সব ইস্যুকে সরিয়ে রেখে সব বিরোধী দল এক যোগে মোদী বিরোধিতার ডাক দিচ্ছে। কারণ কী?

মমতা থেকে কেজরিওয়াল, রাহুল থেকে প্রিয়ঙ্কা, মায়াবতী থেকে অখিলেশ- সবাই এক সুরে মোদী বিরোধিতার কথা বলছেন। কারণ হিসেবে তাঁরা প্রত্যেকেই বলছেন, গণতন্ত্র বাঁচানোর লক্ষ্যে এই মুহূর্তে মোদীকে হটানো প্রয়োজন। এর আগে দিল্লিতে কেজরিওয়ালের অনশন মঞ্চ থেকে জম্মু কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাকে বলতে শোনা গেছে, কে প্রধানমন্ত্রী হবেন সেটা এই মুহূর্তে গুরুত্বপূর্ণ নয়। মোদীকে সরিয়ে আগে দেশকে বাঁচাতে হবে। তারপর সব রাজনৈতিক দল বসে প্রধানমন্ত্রী ঠিক করবে। গতকাল একই কথার প্রতিধ্বনি মমতা ও কেজরিওয়ালের গলায়। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অত্যন্ত কড়া ভাষায় বলেন, শরীরে টিউমার হলে আগে সেটাকে কেটে ফেলতে হয়। তারপর পরবর্তী চিকিৎসা। ঠিক তেমনই বিরোধীরা একযোগে বলছে, দেশ আক্রান্ত। তাই মোদী-শাহদের সরানো এই মুহূর্তে সবার চ্যালেঞ্জ।