টিডিএন বাংলা ডেস্ক: বরাবরই ভোট হয় প্রখর গ্রীষ্মে। ভয়াবহ গরমে ভোটাররা যেমন কষ্ট পান, তেমনি ভোট কর্মীরাও। রবিবার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও গ্রীষ্মে ভোট নিয়ে প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন। তাঁর প্রশ্ন হাঁসফাঁস করা গরমে ভোট নেওয়া হয় কেন? তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের উচিত ২-৩ দফার মধ্যে ভোট প্রক্রিয়া শেষ করা। অযথা ভোট প্রক্রিয়া বিলম্বিত করা অর্থহীন।

৬ সপ্তাহ ধরে দেশে ভোট চলছে।এইভাবে ভোট চললে সবার অসুবিধা।নীতীশ কুমার বলেন, তিনি লিখিতভাবে সব দলের সভাপতিদের চিঠি দেবেন। তাতে লিখবেন অত্যন্ত দুই-কিংবা তিন দফার মধ্যে যেন সব ভোট প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যায়।রবিবার পটনায় ভোট দেন নীতীশ কুমার। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘এরকম গরমে এত লম্বা সময় ধরে ভোট গ্রহন উচিত নয়।লোকসভা ভোট হয় ফেব্রুয়ারি-মার্চ অথবা অক্টোবর-নভেম্বরে হওয়া উচিত।এত দীর্ঘ নয়।গোটা দেশে তা ২-৩ দফার মধ্যে শেষ হওয়া উচিত। ফেব্রুয়ারি-মার্চ অথবা অক্টোবর-নভেম্বরের ভোটের সময় নিদিষ্ট করে দেওয়া উচিত। এমনিতেই গোটা দেশে একই দিনে নির্বাচন হলে ভালো হত।কিন্তু দেশে আকার ও ভোটের কথা মাথায় রেখে বড় জোর দুই-তিন দফায় এই ভোট হতে পারে।পার্বত্য ও পাহাড়ি এলাকাগুলিতে নিরাপত্তার কারণে দফা বাড়ানো যেতে পারে। অন্য জায়গায় না বাড়ানোয় ভালো।

নথুরাম গডসে সম্পর্কে সাধ্বী প্রজ্ঞার মন্তব্য সম্পর্কে তাঁর মত কী? নীতীশের জবাব, ‘আমি এই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করছি। আমরা এসব জিনিস বরদাশত করবো না। বাপু জাতির জনক। সুতরাং গডসকে কেউ ‘দেশপ্রেমী’ বললে জনগণ তা মেনে নেবে না।’ আপনি কি মনে করেন এমন মন্তব্যের জন্য বিজেপির উচিত সাধ্বীকে বহিষ্কার করা ? প্রশ্নের জবাবে নীতীশ বলেন, ‘অবশ্যই বিজেপির উচিত বিষয়টি বিবেচনা করা।’

তারপর তিনি বলেন, ‘এটি বিজেপির অভ্যন্তরীণ বিষয়। কিন্তু দেশের আদর্শের কথা ভেবে এই ধরনের মন্তব্য বরদাশত করা উচিত হবে না।’ এদিন তিনি আরও বলেন, জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধরা এবং ৩৫ এ তুলে দেওয়ার চেষ্টা দেশের ঐক্য ও সংহতির পক্ষে বিপদজনক। রামমন্দির প্রসঙ্গে নীতীশ বলেন, আদালতের মাধ্যমেই অযোধ্যা বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত।