টিডিএন বাংলা ডেস্ক: শনিবার থেকে শুরু হয়েছে ঝাড়খণ্ডে বিধানসভার নির্বাচন। এদিন কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়েই প্রথম দফার ভোট গ্রহণ শুরু হলেও কিছুক্ষনের মধ্যেই গুমলা জেলার বিষ্ণুপুরে বোমা মেরে সেতু উড়িয়ে দেয় মাওবাদীরা। রাজ্যের মোট ৮১টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ১৩ টি আসনে এদিন ভোট গ্রহণ হয়। প্রথম দফার ভোটে মোট ভোটারের সংখ্যা ৩৭,৮৩,০৫৫। এর জন্য মোট ৪৮৯২টি ভোট কেন্দ্র করা হয়েছিল।

ভোট গ্রহণ শুরুর কিছুক্ষন পরেই পালামৌতে বুথের বাইরে বন্দুক হাতে কংগ্রেস নেতার দাপট দেখা যায়। কংগ্রেসের অভিযোগ, পালামৌতে কোশিয়ারা গ্রামে ভোটগ্রহণের সময় কংগ্রেস প্রার্থী কে এন ত্রিপাঠিকে বুথে ঢুকতে দেননি বিজেপি সমর্থকরা। এরপরই দুই তরফের বচসা শুরু হয়ে যায়। যা পরবর্তীকালে সংঘর্ষের চেহারা নেয়। এরপরই এলাকায় বন্দুক হাতে দেখা যায় কংগ্রেস প্রার্থীকে। শুরু হয় তোলপাড়। গাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। তবে কারও আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। সেনা- জওয়ানরা তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে।

এবিষয়ে কংগ্রেস প্রার্থী কেএন ত্রিপাঠি সংবাদ মাধ্যমকে জানান, বিজেপি সমর্থকরা পাঁচটি বুথ লুট করার চেষ্টা করেছিল। যখন বিজেপি সমর্থকরা বুথগুলিতে দখল করে লুট করার চেষ্টা করছিল তখন তারা তাদের আক্রমণ করে। কংগ্রেস প্রার্থী হিসাবে তিনি এই ঘটনার তথ্য ডিজিপি এবং এসপিকে দিয়েছেন।

তবে বিজেপি প্রার্থী অলোক চৌরাসিয়া কংগ্রেস প্রার্থীর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে কেএন ত্রিপাঠি একটি জগাখিচুড়ি করার চেষ্টা করছেন, যা লোকেরা তার বিরোধিতা করেছিল। আপনাকে বলি যে দুজনই আবারও ডালটগঞ্জের আসনে মুখোমুখি। আজ ঝাড়খণ্ডে প্রথম পর্বের নির্বাচনের ১৩ টি আসনে ভোটগ্রহণ চলছে।

অন্যদিকে চাঁনপুরের পূর্বপুর গ্রামে বেসরকারী চ্যানেলের সাংবাদিক ও ক্যামেরাম্যান কেএন ত্রিপাঠির সমর্থকরা মারধর করে বলেও অভিযোগ উঠে। এমনকি সাংবাদিকদের মারধর করার পরে তার ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। কংগ্রেস প্রার্থী কেএন ত্রিপাঠিকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাকে ডিসি অফিসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।