টিডিএন বাংলা ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে নাটক চলার পর অবশেষে কর্ণাটকে সরকার গঠন করেছিল বিজেপি। ফের আরও একবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন বি এস ইয়েদুরাপ্পার। কিন্তু এবার নিজেদের মধ্যেই দ্বন্দ্ব নিয়ে ফের একবার সরগরম কন্নড় রাজনীতি। সুত্রের খবর, সম্প্রতি কর্ণাটক সরকারের যে মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ করা হয়েছে, তা খুব একটা ভালোভাবে নেয়নি দলের একটি গোষ্ঠী। কারণ সেখানে জেডিইউ ও কংগ্রেস ছেড়ে আসা বিধায়ক যাঁরা সদ্য বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, তাঁদের অনেককে মন্ত্রিত্ব দেওয়া হয়েছে। আর তাতেই ক্ষোভ বিজেপি বিধায়কদের। সেই থেকেই গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের সূত্রপাত।

জানা গিয়েছিল যে বিজেপি নেতা জগদীশ শেট্টরের বাড়িতে কর্ণাটকের ২২জন বিধায়ক সোমবার মধ্যরাতে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসেন। রুদ্ধদ্বার বৈঠকই কর্ণাটক বিধানসভায় বিজেপি সরকারের ভাঙন ডেকে আনতে পারে বলে জল্পনা তুঙ্গে চড়তে শুরু করে। এরপরই আসে এক রহস্যময় চিঠির প্রসঙ্গ। যে চিঠিতে কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি বক্তব্য উঠে এসেছে। আর মনে করা হচ্ছে, এই চিঠিই কর্ণাটকে ইয়েদুরপ্পা সরকারের ‘কাল’ ডেকে আনবে! যদিও পদ্মশিবির এমন সমস্ত জল্পনায় জল ঢেলে দিয়েছে।

রহস্যময় চিঠিতে বলা হয়েছে, কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদুরাপ্পা সরকারের মাথায় থেকে কেবলমাত্র নিজের পরিবার, পরিজনদের বেশি সুযোগ সুবিধা পাইয়ে দিচ্ছেন। আর তাই নিয়েই বিএস ইয়েদুরাপ্পার বিরুদ্ধে স্বজনপোষণের অভিযোগ এনেছে ইয়েদুরাপ্পা বিরোধীরা। আর সেই বিরোধী বিজেপি শিবির থেকেই রহস্যময় চিঠি কন্নড় রাজনীতির আঙিনায় ঘোরাফেরা করছে বলে খবর।

চিঠিতে দাবি করা হয়েছে ৭৭ বছর বয়সে বিএস ইয়েদুরাপ্পার উচিত দলের অভিভাবক হওয়া। কোনও মতেই প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে তাঁরা থাকা উচিত নয়, বয়স জনিত কারণে। তাঁকে রাজ্যপালের পদ দেওয়ার জন্যও চিঠিতে দাবি তোলা হয়েছে।

যদিও নেতিবাচক জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে পদ্মশিবির জানিয়েছে কর্ণাটক সরকারস নিরাপদ হাতে রয়েছে। সরকারে কোনও ভাঙনই ধরেনি। এই বিতর্ক বিরোধী শিবির কংগ্রেস ও জেডিএস এর ষড়যন্ত্র বলেও দাবি করেছে গেরুয়া শিবির।