টিডিএন বাংলা ডেস্ক: প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা গোলাম নবী আজাদ উত্তর কাশ্মীরের বারামুলাতে আপেল চাষি এবং সাধারণ মানুষের সাথে দেথা করলেন। বারামুলাতে ফল চাষিদের সংগঠনের সাথে দেখা করে গত ৫ আগস্টের পরে কী কী অসুবিধা হয়েছে তা নিয়ে আলোচনা করেন।
এদের সভাপতি ইউসুফ সাংবাদিকদের বলেন যে, ৫ আগস্টের পর তাঁদের কী কী অসুবিধা হয়েছে তাই নিয়ে তারা কথা বলেছেন। বিশেষ করে ফল চাষিদের সমস্যা নিয়ে কথা হয়েছে। তিনি আরও বলেন যে, এখানে মোবাইল বন্ধ, রাস্তা বন্ধ,ব্যাঙ্ক বন্ধ এবং পুরো ব্যবস্থা অচল হয়ে রয়েছে। যার ফলে ফল পচে যাচ্ছে।ফল চাষিরা বাজারে তাঁদের জিনিষ নিয়ে যেতে পারছেন না। খুব অসুবিধা হচ্ছে।ইউসুফ বলেন, সরকার আপেলের খুব কম দাম দিচ্ছে, যার ফলে আপেল বিক্রি করা যাচ্ছে না। যে আপেল তারা বাইরে ১৫০০-২০০০ টাকায় বিক্রি করেন সরকার তাঁর দাম দিচ্ছে ৭০০ টাকা মাত্র।কিছু শ্রমিক এবং কৃষক তাঁর সাথে দেখা করেন ও তাঁদের অসুবিধের কথা তাঁকে বলেন। কিছু ক্যান্সারের রুগী গোলাম নবী আজাদের সাথে দেখা করে তাঁদের অসুবিধের কথা তাঁকে জানান। তারা আজাদকে জানান যে, তাঁদের ওষুধ সংগ্রহ করতে এবং থেরাপি নিতে অসুবিধে হচ্ছে। কিছু অভিবাবক যাদের সন্তানেরা বাইরে পড়াশুনা করে তারাও তাঁর সাথে দেখা করে তাঁদের কথা জানান। স্থানীয় স্কুলগুলি বন্ধ থাকায় শিশুদের পড়াশুনার ক্ষতি হচ্ছে। বারামুলা মিউনিসিপ্যাল কমিটির প্রধান ওমর কাকরু এবং কিছু পৌরপিতা তাঁর সাথে কথা বলেন বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে।এর পাশাপাশি কিছু কংগ্রেস কর্মী গোলাম নবী আজাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ৩৭০ ধারা বিলোপের পরের দিনের অভিজ্ঞতার বিবরণ দেন।
আজাদ তিন দিনের সফরে কাশ্মীরে গেছেন। তিনি কাশ্মিরের ১৪ টি স্থানে গিয়েছেন এবং শ্রীনগর,অনন্তনাগ ও বারামুলা ভ্রমণ করেছেন। আজাদ সুপ্রিম কোর্ট থেকে কাশ্মীরের ৪ জায়গায় যাবার অনুমতি পেয়েছিলেন। কোর্ট তাঁকে রাজনীতি না করে পরিস্থিতি ঘুরে দেখার অনুমতি দিয়েছিল। তাঁর আগে তাঁকে ২ বার প্রত্যাখ্যান করা হয়। তিনি আগে কংগ্রেসের সভাপতি রাহুল গান্ধির সাথে কাশ্মীরে আসেন কিন্তু তাঁদের শ্রীনগর বিমান বন্দরের বাইরে আসতে দেওয়া হয়নি।