টিডিএন বাংলা ডেস্ক: দেশজুড়ে ৭২০০ কোটি টাকার ব্যাঙ্ক জালিয়াতির খবর সামনে এসেছে। এর জন্য ৪২ মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার ফলে দেশজুড়ে ব্যাঙ্ক জালিয়াতির তদন্তে নেমেছে সিবিআই। মঙ্গলবার দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রায় ১৮৭টি জায়গায় ভিন্ন ভিন্ন বাঙ্কে তল্লাশি চালায় সিবিআই। জালিয়াতির মামলায় উঠে এসেছে একাধিক ব্যাঙ্কের নাম। তাদের মধ্যে রয়েছে স্টেট ব্যাঙ্ক, পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক (পিএনবি), দেনা ব্যাঙ্ক, কানাড়া ব্যাঙ্ক, ব্যাঙ্ক অফ বরোদা, ব্যাঙ্ক অব মহারাষ্ট্র, এলাহাবাদ ব্যাঙ্ক, সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক, ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক, আইডিবিআই ব্যাঙ্ক। অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে শুরু করে চণ্ডিগড়, দিল্লি, গুজরাট, হরিয়ানা, কর্নাটক, কেরল, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, পাঞ্জাব, তামিলনাড়ু, তেলঙ্গনা, উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড এবং দাদরা–নগরহাভেলিতে চালানো হয়েছে তল্লাশি।

বিগত কয়েকবছরে একাধিক ব্যাঙ্ক জালিয়াতির ঘটনা সামনে এসেছে। অর্থ তছরুপ এবং জালিয়াতির জেরে ধীরে ধীরে ব্যাঙ্কিং কাঠামো ভেঙে পড়ায় দেশের ব্যাঙ্কগুলির সুরক্ষা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পিএনবিতে নীরব মোদীর প্রায় ১৪,০০০ কোটির জালিয়াতি বড় প্রভাব ফেলেছে দেশের ব্যাঙ্ক ব্যবস্থায়। এ বার দায়ের হল ৭,২০০ কোটি টাকা প্রতারণার আরও ৪২টি মামলা।

সিবিআইয়ের বক্তব্য, অন্তত চারটি ক্ষেত্রে প্রতারণার অঙ্ক ১,০০০ কোটি টাকার বেশি। মুম্বইয়ের অ্যাডভান্টেজ ওভারসিজ সংস্থার কর্তারা জাল নথির সাহায্যে স্টেট ব্যাঙ্ক থেকেই প্রায় ৬,০০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। অভিযোগ, এতে যুক্ত ব্যাঙ্কের আধিকারিকরাও। টাকা অন্যত্র সরানো হয়। এতে স্টেট ব্যাঙ্কের প্রায় ১,২৬৬ কোটি লোকসান হয়েছে। পিএনবিতে জালিয়াতি ব্যাঙ্ক পরিচালনার বহু ত্রুটিকে সামনে এনে দাঁড় করিয়েছিল। উস্কে দিয়েছিল ঋণ দেওয়ার ঝুঁকির দিকটিও। তারপর থেকে যত জালিয়াতি ধরা পড়েছে, তত উদ্বেগ বেড়েছে ব্যাঙ্কিং মহলে। সেই সঙ্গে সাধারণ মানুষের। ‌‌