টিডিএন বাংলা ডেস্ক:  কোটা বুন্দির সাংসদ ওম বিড়লা সর্বসম্মতিক্রমে লোকসভার স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন। তারপরেই লোকসভার ওয়েবসাইটে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন। স্পিকার ওম বিড়লার প্রোফাইল পরিবর্তন করা হয়। লোকসভার সচিব ওয়েবসাইট দেখাশোনার কাজ করে। পরিবর্তনও তাদের দায়িত্ব। ওম বিড়লার প্রোফাইলে পরিবর্তন করা হয়েছে। তিনি আরএসএসের সদস্য ও অযোধ্যা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এই তথ্য আগে তাঁর প্রোফাইলে ছিল। বর্তমানে তা বাদ দেওয়া হয়েছে। ন্যাশনাল হেরল্ডে এই খবর প্রকাশিত হয়েছে।

আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ওম বিড়লা। এটা স্পষ্টভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রাম মন্দির আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকায় তাঁকে জেলে যেতে হয়েছিল। তাঁর প্রোফাইল থেকে এই অনুচ্ছেদটি বাদ দেওয়া হয়েছে।

লোকসভা ওয়েবসাইটে আগে তাঁর প্রোফাইলে ছিল, “বিড়লা রাম মন্দির আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকায় জেল খেটেছেন।‘’ সাংসদ হিসেবে তাঁর ভালো কাজে খতিয়ান ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা হয়েছে। এক পর্যবেক্ষকের মতে, ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দিকে আর একটা বড় পদক্ষেপ হল লোকসভার স্পিকার হিসেবে বিড়লার নির্বাচন। এর ফলে স্পিকার পদের গৈরিকীকরণ হল। তিনি আরও বলেন, মোদী বিড়লাকে নির্বাচন করেছেন, এর প্রথম ও প্রধান কারণ হল তিনি আরএসএস ঘনিষ্ঠ। এবং তাঁর মোদী-বশ্যতা। মোদী পছন্দ করেন না কেউ তাঁর কাজ নিয়ে নম্রভাবেও কোনও প্রশ্ন তুলবেন।

দিল্লির এক সিনিয়র সাংবাদিক বলেন, লোকসভার পরিচালিত হবে তাদের অর্থাৎ বিজেপির পরিকল্পনা ও ইচ্ছায়। রুল বুক অনুয়ায়ী নয়। পর্যবেক্ষকরা আরও বলেন, বিড়লা শুধু আরএসএস ঘনিষ্ঠ নন, তিনি মোদী ও অমিত শাহের অনুগামী। স্পিকার পদের জন্য মানেকা গান্ধীর নাম ঘুরপাক খেয়েছিল। তিনি কম অভিজ্ঞ নন। ইংরেজি দৈনিকের এক সাংবাদিকের কথায়, তাঁর পদবীর জন্য শেষপর্যন্ত তাঁকে নির্বাচন করা হয়নি।

সুমিত্রা মহাজনের পরে এই পদের নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ ছিল। লোকসভার স্পিকার হিসেবে বিড়লার নির্বাচন কার্যত আরএসএসের অঙ্গুলিহেলনে হয়েছে। সঙ্গে শেষ কথা মোদী। দিল্লির এক সাংবাদিকের কথায়, হিন্দু রাষ্ট্রের দিকে ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার এটা আর একটা বড় ধাপ।