টিডিএন বাংলা ডেস্ক: অসমে নামছুট ১৯ লাখ নাগরিককে নিয়ে উদ্বিগ্ন বিধায়ক কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থের। সেকারনে তিনি পুজো কিমিটির কর্মকরর্তাদের সঙ্গে বৈঠক বৈঠক করেন। গত ৩১ আগস্ট অসমে প্রকাশিত হয়েছে জাতীয় নাগরিক পঞ্জির চূড়ান্ত তালিকা। সেই তালিকা থেকে বাদ পড়েছে ১৯ লাখ মানুষের নাম। যার প্রভাব পড়ল এবারের পুজোতেও। ১৯ লাখ লোকের নাগরিকত্ব নিয়ে চিন্তিত পুজো কিমিটি গুলির পদাধিকারিরাও। অতএব

নিজেদের নাম তালিকাভুক্ত হওয়াতে যতটা না খুশি বরং তার চেয়েও বেসি উদ্বিগ্ন তালিকা থেকে বাদ পরা লোকদের নিয়ে। পরিবারের মা-বাবা, অন্যদের নাম তালিকাভুক্ত হয়েছে, বাদ পরেছে একটি শিশু। অথবা পরিবারের পাঁচ সদস্য তালিকাভুক্ত হয়েছেন, বাদ পরেছে দুই সদস্য। এদের ভবিষৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকাটাই সাবাভিক।

নিক্টাত্মীয়, পাড়াপড়সির নাম বাদ পরার পর
নিজের নাম অন্তরভুক্ত হওয়া নিয়ে খুসিতে ডগমগ হওয়ারও কিছু নেই। সে বিষয়টিই প্রতিফলিত হছে করিমগঞ্জের এবারের পুজোয়। ব্যানারে-প্লাকাডে পুজো মণ্ডপগুলি সাজিয়ে দিয়ে ছড়ায়, কবিতায় এনআরসি-বারতদেড় বিষয়ে উদ্বেগ, উৎকণ্ঠার প্রকাশ ঘটবে। রবিবার শহরের পুজো কমিটি গুলির পদাধিকারিদের এক সভায় তেমন সিন্ধান্তই নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন এলাকার বিধায়ক কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থ।

বিধায়ক জানান, মুলত পুজো সুন্দর করে কিভাবে উদযাপন করা যায় সে প্রসঙ্গে আলোচোনাক্রমে সিদ্ধান্ত নিতে ডাকা হয়েছিল সভা। অতিরিক্ত আবতভবনের সভাকক্ষে বসে স্থির হয়েছে, সবাই আয়োজন সুন্দর করতে না পারলে শহরে পুজো সুন্দর পরিপাটি
হবে না, তাই চেষ্টা করতে হবে ছিমছাম আয়ওজনের।