টিডিএন বাংলা ডেস্ক: আসরে নেমেই বুঝিয়ে দিয়েছেন তাঁকে সমীহ না করে উপায় নেই বিজেপির। মোদীর খাস তালুক থেকে শুরু করে উত্তর প্রদেশে নৌ-সফর। সর্বত্রই মোদীকে দৃপ্ত নিশানা করছেন। এদিন সেই আক্রমণ আরো তীব্র করলেন। বললেন, অতীতের কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকারকে দোষারোপ করার দিন ফুরিয়েছে। মোদী সরকার ৫ বছরে কী করল, এখন তা মানুষ জানতে চায়। দেশের করুণ পরিস্থিতির জন্য বিগত দিনগুলিতে কংগ্রেসের জমানাকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি মোদী। আসরে নেমে প্রিয়ঙ্কা এর জবাব দিলেন।

তাঁর স্টিমার উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন ঘাটে গিয়ে ভিড়ছে। এদিন তিনি মোদীকে নিশানা করেন সীতামারি থেকে। ভাদোহিরে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। বলেন, মোদী সরকারের কাজ কর্ম নিয়ে মানুষ মোটেই খুশি নন। লোকসভা নির্বাচনে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। তিনি আরো বলেন, কেউ খুশি নন। ২০১৯ এ মানুষ মোদী সরকার পরিবর্তন করবেন। কৃষক, যুবক, চাকরিজীবীরা কেউই খুশি নন। তাঁরা সরকার পরিবর্তন করবেন।

সোমবার প্রয়াগরাজে গঙ্গায় পুজো দিয়ে তিনি নৌ-সফর শুরু করেছিলেন। গঙ্গাবক্ষে মোট ১৪০ কিলোমিটার নৌ-সফর করবেন প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা। আজ দ্বিতীয় দিন। লক্ষ্য তীরবর্তী মানুষের সঙ্গে সংযোগ বাড়ানো। এলাহাবাদ অর্থাৎ প্রয়াগরাজ থেকে মির্জাপুর পর্যন্ত দীর্ঘ নৌপথে প্রিয়ঙ্কার একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। গঙ্গার দুই পাড়ের বিস্তীর্ণ জনপদের সঙ্গে একাত্ম হতে মাঝে মাঝেই থেমে  যাচ্ছে প্রিয়ঙ্কার স্টিমার। এই বিস্তীর্ণ পথে একাধিক মন্দির, দরগা পরিদর্শনের কর্মসূচিও রয়েছে তাঁর। প্রিয়ঙ্কার ভোটপ্রচার শেষ হবে মোদীর কেন্দ্র বারাণসীতে এসে। অভিনব প্রচার কৌশল প্রিয়ঙ্কাকে কতটা মাইলেজ দেয়, সেই দিকেই নজর দেশবাসীর।