টিডিএন বাংলা ডেস্ক: দীর্ঘ নাটকের পরেও মহারাষ্ট্রে কে সরকার গঠন করবে তা এখনও নিশ্চিত নয়। টানাপোড়নের মধ্যেই রয়েছে মহারাষ্ট্রের সরকার গঠন। মুখ্যমন্ত্রীর পদ ৫০-৫০ ভাগ নিয়ে চরম পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। যদি শিবসেনা সরকার গঠন করতে না পারে তাহলে হয়তো রাষ্ট্রপতি শাসনের দিকে রাজ্য যেতে চলেছে। অথবা ফের আবার নতুন করে বিধানসভা ভোটের ডঙ্কা বাজতে পারে। তবে শিবসেনা এনসিপিকে নিয়ে মহারাষ্ট্র সরকার গড়তে পারে। এক্ষেত্রে কংগ্রেসের সাহায্য দরকার হবে। কংগ্রেস মন্ত্রিসভায় থেকে সমর্থন না দিলেও বাইরে থেকে শিবসেনা-এনসিপি জোটকে সমর্থন দিতে পারে বলে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

মহারাষ্ট্রে শিবসেনাকে সমর্থন দেওয়া নিয়ে কংগ্রেস নেতাদের মধ্যে বিভাজন রয়েছে। একটি অংশ চেয়েছেন কোনভাবেই যাতে মহারাষ্ট্রে শিবসেনাকে সমর্থন না দেওয়া হয়। তাতে আখেরে কংগ্রেস দলের ক্ষতি হবে বলেই সঞ্জয় নিরুপমের মতো বেশ কিছু নেতা মনে করছেন। আবার আর একটি অংশ চাইছে বিজেপিকে ঠেকিয়ে রাখতে শিবসেনাকে সমর্থন দিয়ে যেন সরকার গঠন করা হয়।

শিবসেনা কেন এই জোটকে থেকে বেরিয়ে এল তা নিয়ে বারবার স্পষ্ট মতামত দিয়েছে। তাঁদের দাবি ছিল ভোটের আগে ফিফটি-ফিফটি ফর্মুলায় চলার কথা হয়েছিল। তবে বিজেপি ভোটে জেতার পর সেই চুক্তির খেলাপ করেছে। মুখ্যমন্ত্রীর পদ ৫০-৫০ ভাগ করার কথা হয়েছিল। যে কথা বিজেপি রাখেনি। সেজন্যই মহারাষ্ট্রের সরকার না গঠন করার দায় বিজেপিকে নিতে হবে।

এদিকে বিজেপি তরফেও বারবার করে এমন ধরনের কোনও চুক্তির কথা অস্বীকার করা হয়েছে। শিবসেনা অযথা জেদ দেখিয়ে সরকার গঠন থেকে পিছিয়ে এল। বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, মহারাষ্ট্রের মানুষ বিজেপি-শিবসেনা জোটের পক্ষে ভোট দিয়েছিল। সেখান থেকে বেরিয়ে এসে মহারাষ্ট্রের মানুষকে অপমান করেছে শিবসেনা।