টিডিএন বাংলা ডেস্ক: ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার পর থেকে কাশ্মীরে ৯৬৩ জন জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়েছে এবং ৪১৩ জন সেনা শহীদ হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।  লোকসভা লিখিত আকারে এই তথ্য পেশ করেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। সন্ত্রাস নিয়ে মোদী সরকারের জিরো টলারেন্স নীতিই এই সাফল্যের কারণ বলে দাবি করা হয়েছে লোকসভায়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফে আরও জানানো হয়েছে, জঙ্গি দমন অভিযান সুনিশ্চিত করতে উপত্যকার সব হেডকোয়ার্টারে দক্ষ সিএপিএফ অফিসার মোতায়েন করা হয়েছে। এমনকী যাঁরা জঙ্গি দমন অভিযানে গিয়ে শহিদ হয়েছেন তাঁর পরিবারের দেখাশোনার যাবতীয় বিষয় সুনিশ্চিত করেছে মোদী সরকার।

 

এর আগে কোনও সরকার জওয়ানদের সুযোগ সুবিধা নিয়ে এত চিন্তা করেনি। সোমবার কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী শ্রীপদ নায়ক রাজ্যসভায় জানিয়েছেন, ২০১৮ সালে কাশ্মীরে ৩১৮ জন জঙ্গি নিকেশ হয়েছে। সেই তুলনায় নাশকতা হয়েছে ১৮৭ বারেরও বেশি। যেতুলনায় জঙ্গি হামলা হয়েছে কাশ্মীরে সেই তুলনায় জঙ্গি নিকেশ অনেক বেশি হয়েছে। শহিদের সংখ্যাও অনেক কমেছে। মাত্র ৪৩ জন জওয়ান শহিদ হয়েছে।

২০১৯ সালেও একাধিক জঙ্গি হামলা হয়েছে কাশ্মীরে। পুলওয়ামার মতো নাশকতাও ঘটেছে। যেখানে একটি জঙ্গি হামলাতেই ৪০ জন জওয়ান শহিদ হয়েছেন। এর পরেও একাধিক হামলা হয়েছে উপত্যকায়। কাজেই যে পরিসংখ্যান সংসদে সরকারের পক্ষ থেকে পেশ করা হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।