টিডিএন বাংলা ডেস্ক: সরকারি স্কুলের ইংরেজির শিক্ষক অথচ একলাইনও পড়তে পারেননা ইংরেজি। আর এতেই অবাক জেলা শাসক। যার ফলে অবস্থা দেখে রেগে আগুন জেলা শাসক অবিলম্বে ওই ২ শিক্ষিককে চাকরি থেরে বহিষ্কারের নির্দেশ দেন জেলা শাসক। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের উন্নাওয়ের সিকান্দারপুর সারাউসি-র সরকারি স্কুলে।

জানাগেছে, সারাউসি-র ওই সরকারি স্কুলে পরিদর্শনে এসেছিলেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দেবেন্দ্র কুমার পান্ডে। স্কুলের ইংরেজি শিক্ষককে অষ্টম শ্রেণির পাঠ্য ইংরেজি বই পডতে দেন তিনি। কিন্তু বইয়ের দুটি লাইন পড়তে নাকানি-চোবানি খেলেন শিক্ষকা। এরপর ম্যাজিস্ট্রেট ওই দুই শিক্ষককে সাসপেন্ড করতে বেসিক শিক্ষা আধিকারিক (বিএসএ)-কে নির্দেশ দেন। গত ২৮ নভেম্বর ওই স্কুলে পরিদর্শনে গিয়েছিলেন ম্যাজিস্ট্রেট।

জেলা শাসক অভিযোগ করেছেন, বিএ পাস করার পরেও একটি লাইন পড়তে পারছেন না শিক্ষিকা। এটা কী করে সম্ভব। তিনি শিক্ষিকার শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সত্যিই তিনি বিএ পাস করেছেন কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। স্কুলের শিক্ষিকাই যদি ইংরেজির একটি লাইনও পড়তে না না পারেন তাহলে তিনি ছাত্রছাত্রীদের কী করে পড়াবেন। এই নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে অবিলম্বে তাঁকে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছে।

অনেকটা সিনেমার মতো শোনালে এই ঘটনা বিহার, উত্তর প্রদেশে নতুন কিছু নয়। বহু চাকরি প্রার্থীই ভুয়ো শংসাপত্র দিয়ে চাকরি পেয়ে থাকেন। টাকার বিনিময়ে চাকরি পাওয়া নতুন কোনও ঘটনা নয় এই দুই রাজ্যে। দুর্ভাগ্যবশত জেলা শাসকের কাছে হাতে নাতে ধরা পড়ে গিয়েছেন শিক্ষিকা। নইলে এই বিদ্যা নিয়েই তিনি স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের ইংরেজি পড়িয়ে যেতেন।