টিডিএন বাংলা ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে সক্রিয় রাজনীতিতে এসেছিলেন প্রিয়ঙ্কা। কিন্তু দলের ভরাডুবি ঠেকাতে পারেননি। এরপর কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে রাহুল গান্ধী পদত্যাগ করেন। অনেক বুঝিয়েও তাঁর সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে পারেনি দল। এই অবস্থায় দল নেতৃত্বহীনতায় ভুগছে। কে নেবেন দলের দায়িত্ব, সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন। এই অবস্থায় দলের অন্দরে আওয়াজ উঠেছে, প্রিয়ঙ্কা লাও কংগ্রেস বাঁচাও।

এ বছরের শুরুতে, লোকসভা ভোটের ঠিক আগে, দলের তরফে পূর্ব উত্তরপ্রদেশের এআইসিসির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা। বারাণসী হোক বা দিল্লি, দলের হয়ে প্রচারে সর্বত্র দেখা দিতে শুরু করেন তিনি। তাতে বিশেষ লাভ না হলেও, শেষ মেশ সেই প্রিয়ঙ্কার হাতেই জাতীয় কংগ্রেসের দায়ভার তুলে দেওয়ার পক্ষপাতী অনেকে, দলীয় সূত্রে এমনটাই উঠে আসছে।

তবে গত ২৫ মে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে রাহুল গান্ধী যেহেতু গান্ধী পরিবারের সদস্য নন এমন কাউকে ওই পদে বসানোর প্রস্তাব দিয়েছিলেন, তাই খোলাখুলি প্রিয়ঙ্কার নাম সুপারিশ করতে সাহস পাচ্ছেন না বলে খবর। মনমোহন সিংহের আমলে দেশের কয়লা মন্ত্রী ছিলেন শ্রীপ্রকাশ জয়সওয়াল। এ নিয়ে প্রশ্ন করলে একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, ‘‘অনেকেই এই দাবি তুলতে শুরু করেছেন। আমি নিজেও প্রিয়ঙ্কাকে কংগ্রেস সভাপতি পদে বসানোর পক্ষপাতী। উনি গান্ধী পরিবারের সদস্য। চিন্তাভাবনা প্রগতিশীল। দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে ওঁর।’’

তিন-তিন বার লোকসভার সাংসদ নির্বাচিত হওয়া ভক্তচরণ দাসের কথায়, ‘‘দলের নিচুস্তরের কর্মী থেকে শীর্ষস্থানীয় নেতা, লক্ষ লক্ষ কংগ্রেস সদস্যকে একটাই দাবি, রাহুলের জায়গায় প্রিয়ঙ্কাকে আনা হোক।’’

এর আগে পরবর্তী সভাপতি ঠিক করতে দলের শীর্ষ নেতারা বৈঠক করেন। সেখানে রাহুল, প্রিয়ঙ্কা, এমনকী সোনিয়া গান্ধীও হাজির ছিলেন না। তারপর এখনও কোনও নাম চূড়ান্ত হয়নি। এখন প্রিয়ঙ্কা নতুন কংগ্রেস সভাপতির দায়িত্ব নেন কিনা, সেই দিকে তাকিয়ে দেশ।