টিডিএন বাংলা ডেস্ক: তিনি ঠোঁটকাটা বলে পরিচিত। কিন্তু বিহারে এনডিএ নেতাদের ইফতার পার্টি নিয়ে কটাক্ষ করায় রেহাই পেলেন না গিরিরাজ সিং। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর কাছে তাঁকে ভর্ৎসিত হতে হয়।ভবিষ্যতে এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয়,তাঁকে ডেকে সতর্ক করে দিলেন শাহ।

সোজা কথা কোনও রাখঢাক না রেখেই তিনি বলে দেন অকপটে। এমনকি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হওয়ার পরও যে তাঁর সেই স্বভাব পাল্টায়নি,সম্প্রতি আরও এক বার তা প্রমাণ করেন বিহারের বেগুসরাইয়ের সাংসদ গিরিরাজ। তাও আবার এমন একটি স্পর্শকাতর বিষয়ে এমন মন্তব্য করেন তিনি, যাতে বিতর্কের যথেষ্ট রসদ মজুত। সোমবার পটনায় ইফতার পার্টিতে যোগ দিয়েছিলেন বিহারের শাসক-বিরোধী প্রায় সব দলের নেতারা। সেই ছবি টুইটারে শেয়ার করে গিরিরাজের মন্তব্য,পুরোটাই ‘দেখনদারি’।

পটনায় ইফতারের আয়োজন করেছিলেন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা ইউপিএ জোটের শরিক জিতনরাম মানঝি। হিন্দুস্তান আওয়াম মোর্চা সুপ্রিমোর আমন্ত্রিতদের তালিকায় ছিলেন বিহার তথা কেন্দ্রের শাসক জোট এনডিএর নেতানেত্রীরা। হাজির ছিলেন জেডিইউ সুপ্রিমো তথা বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার,  উপ-মুখ্যমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা সুশীল মোদী, এলজেপি সুপ্রিমো রামবিলাস পাসোয়ান এবং তাঁর ছেলে চিরাগ-সহ শাসক-বিরোধী শিবিরের শীর্ষ নেতানেত্রীরা। সেই অনুষ্ঠানে নিজে যাননি গিরিরাজ। কিন্তু অনুষ্ঠানের ছবি শেয়ার করে শুধু বিরোধী নয়,নিজের দলের নেতাদেরও কার্যত মুখোশ খুলে দিয়েছেন। ফেলে দিয়েছেন অস্বস্তিতে।

ঠিক কী বলেছেন মোদী-২ সরকারের পশুপালন মন্ত্রী গিরিরাজ সিংহ? সোমবারের ওই ইফতার পার্টির একাধিক ছবি মঙ্গলবার টুইটারে শেয়ার করেন গিরিরাজ। তার সঙ্গে হিন্দিতে লেখেন, ‘‘এই ছবিগুলো কত সুন্দর হত, যদি নবরাত্রির ভোজও সমান আতিথেয়তা ও আগ্রহের সঙ্গে আয়োজন করা হত। নিজেদের বিশ্বাসকে বলতে এত ইতস্তত করি এবং ভণিতার আশ্রয় নিই?’’ এরপর এই নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। আসরে নামেন খোদ অমিত শাহ। গিরিরাজের মন্তব্যে দল যে বিড়ম্বনায় পড়েছে, তা বলাই যায়।