টিডিএন বাংলা ডেস্ক: প্রবল বর্ষণ ও ভুমিধ্বসে হিমাচল প্রদেশে গত ৩৬ ঘণ্টায় কমপক্ষে দশ জন নিহত হয়েছেন। বৃষ্টিপাতের ফলে পাহাড়ি রাজ্যে রাস্তাঘাট, ভবন ও জল সরবরাহ প্রকল্পের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

রবিবার সিমলার আঞ্চলিক পরিবহন অফিসের (আরটিও) ভবনের কাছে ভূমিধস সংক্রান্ত ঘটনায় দুই মেয়েসহ তিনজন মারা গেছেন। অপর একটি ঘটনায় শহরের লোয়ার আঞ্চলিক এলাকায় ঘরে ঘুমন্ত অবস্থায় শ্রমিকদের উপর ছাদ ভেঙে পড়ে একজন শ্রমিক মারা যান। নিহত শাহ আলম বিহারের কিশানগঞ্জের বাসিন্দা। ঘটনায় জখম হন আরো ছয়জন। অন্যদিকে শিমলা জেলার হাটকোটির কাছে এক ক্যান্টারে ভূমিধসের কবলে পড়ে
এক চালক নিহত হন। বিলাসপুর জেলার স্বরঘাটে একই ধরণের দুর্ঘটনায় ভূমিধসের নিচে চাপা পড়ে আরেকজন চালক মারা গেছেন। নিহত অজিন্দর সিংহ পাঞ্জাবের জিরাকপুরের বাসিন্দা। পাশাপাশি আরো বেশ কিছু বিক্ষিপ্তভাবে মারা গেছেন আটজন।

এদিকে ভূমিধসের কারণে রাজ্য জুড়ে ১৩ টি হাইওয়ে সহ ৪০০ এরও বেশি রাস্তা পুরো বা আংশিকভাবে অবরুদ্ধ।চণ্ডীগড়-মানালি জাতীয় মহাসড়ক বিলাসপুর শহরের কাছে অবরুদ্ধ। আটকে পড়েছে শত শত যাত্রী। মহাসড়ক পানির নিচে ডুবে যাওয়ার কারণে কাতাউলা- বাজৌড়া সড়ক দিয়ে মান্ডি থেকে কুল্লু যাওয়ার পথে ট্রাফিক ডুবে যায়। পাশাপাশি ভূমিধসে সকালে বেশ কয়েক ঘন্টা ব্যস্ত মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত করে। বৃষ্টিপাতের ফলে সিমলা শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহ ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

সিমলার জেলা প্রশাসক অমিত কাশ্যপ বলেছেন, সোমবার জেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। বিভিন্ন স্থানে ভূমিধসের কারণে মানালি-লেহ মহাসড়কটি যান চলাচলের জন্য বন্ধ থাকায় কয়েকশো পর্যটক কোচসার অঞ্চল লাহুল-স্পিতি জেলাতে আটকা পড়েছে বলে জানা গেছে।