টিডিএন বাংলা ডেস্ক: ইতিমধ্যেই সেঞ্চুরি টপকে ১৫০ ছুঁতে চলেছে পেঁয়াজের দাম। সাধারন পরিবার গুলোর নাভিশ্বাস উঠছে পেঁয়াজ কিনতে গিয়ে। কিন্তু এর মধ্যেই সংসদে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন জানালেন, তিনি পেঁয়াজ রসুন খান না, তাই দাম নিয়ে তার কোনও মাথা ব্যথা নেই। তবে বিরোধীরা তাকে ছেড়ে কথা বলেননি। তাঁর‌ এই বক্তব্যের পরেই সংসদে বিরোধীরা কটাক্ষও করেন।

সীতারমণ আরও জানান, ”আমি খুব বেশি পেঁয়াজ রসুন খাই না…তাই চিন্তার কোনো কারণ নেই। আমি এমন পরিবারের মানুষ যেখানে পেঁয়াজ নিয়ে লোকজনদের খুব বেশি মাথা ব্যথা নেই।” তাঁর এহেন মন্তব্য হাসির রোল ওঠে সংসদ ভবনে। পেঁয়াজের দামবৃদ্ধি রুখতে কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে কেন্দ্র?‌ বুধবার সংসদে দাঁড়িয়ে সেই প্রসঙ্গেই বক্তব্য রাখছিলেন নির্মলা।

এই কথা শোনার পরেই সেখানে উপস্থিত সাংসদদের মধ্যে হাসির রোল পড়ে যায়। একজন আবার বলেন, ‘‌হ্যাঁ, বেশি পেঁয়াজ খেলে মানুষ খিটখিটে হয়ে যায়।’

তিনি আরও বলেন, ”পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য কাঠামোগত কিছু পরিবর্তন আনা আবশ্যক, আর তার জন্য সরকার উপযুক্ত পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। তিনি জানিয়েছেন যে, পেঁয়াজ চাষের ব্যাপারে জমির পরিমান কম হওয়াতে উৎপাদনের পরিমানও কমেছে। কিন্তু কীভাবে পেঁয়াজের উৎপাদন বৃদ্ধি করা যায় সরকার সে বিষয়ে যথেষ্ট সজাগ।

সীতারমণ আরও জানিয়েছেন, পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য নূন্যতম সহায়ক মূল্যের তহবিল-এর ব্যবহার করা হচ্ছে। এই কারণে ৫৭ হাজার মেট্রিক টনের বাফার স্টক বানানো হচ্ছে। এছাড়া মিশর ও তুর্কী থেকেও পেঁয়াজ আমদানির কথা ভাবছে কেন্দ্র সরকার। তিনি জানিয়েছেন, মহারাষ্ট্র ও রাজস্থানের আলোয়ারের মতো স্থান থেকে দেশের অন্যান্য স্থানে পেঁয়াজ সরবরাহ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এদিকে, নির্মলা এদিন জানান, পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি রুখতে বেশ কয়েকটি কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র। যেমন– পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করা হয়েছে, মজুত রাখার সীমাও নির্দিষ্ট করে বেঁধে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ফড়েদের রুখতেও বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ‌