টিডিএন বাংলা ডেস্ক: গত সপ্তাহে হায়দ্রাবাদের শাদনগরে পশুচিকিৎসক প্রিয়াঙ্কা রেড্ডিকে গণধর্ষণের পর খুন করে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এর পর ওই অভিযোগে পুলিশ চারজনকে গ্ৰেফতার করে। পুলিশ ওই চার অভিযুক্তকে শুক্রবার ভোরে গুলি করে হত্যা করে। অভিযুক্ত চার ধর্ষককে গুলি করেন এনকাউন্টার স্পেশালিষ্ট ভিসি সজ্জানর। এবার এই ঘটনায় নয়া মোড়। এই এনকাউন্টারের সঙ্গে যুক্ত পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে এফআইআর এবং পিটিশন দাখিল করার ব্যপারে আর্জি জানানো হল সুপ্রিম কোর্টে। এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অ্যাডভোকেট জি এস মানি এবং প্রদীপ কুমার যাদব। তাঁদের বক্তব্য, পুলিশ আধিকারিকরা এনকাউন্টারের সময়ে সুপ্রিম কোর্টের ২০১৪ সালের নির্দেশাবলির পালন করেননি।
উল্লেখ্য, শুক্রবার সাত সকালে হায়দরাবাদ ধর্ষণকাণ্ডে ৪ অভিযুক্তদের ঘটনার পুনর্নিমাণের জন্য প্রকৃত ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়। সকালে পুলিশের তরফে জানান হয়, এনকাউন্টারে চার জনেরই মৃত্যু হয়েছে। তার পরেই সোশ্যাল মিডিয়া-সহ দেশ জুড়ে পুলিশের এই এনকাউন্টারের প্রশংসা করেন অনেকে। তবে এই এনকাউন্টার নিয়ে প্রশ্নও তুলেছেন অনেকে। এই পরিস্থিতিতেই সাংবাদিক বৈঠকে ঘটনার বিবরণ দিয়েছেন এনকাউন্টার স্পেশালিষ্ট ভিসি সজ্জানর। তিনি জানান, পুনর্নির্মাণের জন্য ঘটনাস্থলে নিয়ে গেলে অভিযুক্তরা পালানোর চেষ্টা করে এবং পুলিশের অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে গুলি চালায়। পুলিশের পাল্টা গুলিতে মৃত্যু হয় তাদের।
প্রসঙ্গত, এক সপ্তাহ আগে হায়দরাবাদের শাদনগরে ২৬ বছর বয়সী পশুচিকিৎসক প্রিয়াঙ্কা রেড্ডিকে ধর্ষণের পর নির্মম ভাবে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। অভিযুক্তরা যখন দেখতে পায় যে তরুণীর মৃত্যু হয়েছে, তারপরও চারজন মিলেই চালিয়ে গিয়েছিল ধর্ষণ। এরপর একটি কালভার্টের তলায় তাঁর দেহটিকে ছুড়ে ফেলে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরের দিন সকালে তাঁর দগ্ধ দেহ উদ্ধার হয়। ওই ঘটনায় জড়িত মহম্মদ পাশা(২৬), জল্লু শিবা (২০), জল্লু নবীন(২০) ও চিন্তাকুন্তা চেন্নাকেশাভুলুকে(২০) গ্রেফতার করে পুলিশ।