টিডিএন বাংলা ডেস্ক: সাংবাদিককে গ্রেফতার করায় প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছিল যোগী সরকার। এবার সেই ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টের ধমক খেতে হল যোগী সরকারকে।মঙ্গলবার মামলার শুনানি শুরু হলে সাংবাদিক প্রশান্ত কানোজিয়াকে দ্রুত মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি,উত্তর প্রদেশের রাজ্যপাল রাম নায়েককে এ বিষয়ে ‘মহানুভব’আচরণ দেখানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। এই ঘটনা সামনে আসতেই এডিটর্স গিল্ড সহ নানা মহল থেকে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়। কারণ সাংবাদিক কী লিখবেন, তা ঠিক করে দেবে প্রশাসন? তা না হলে গ্রেফতার!

এ দিন সুপ্রিম কোর্ট জানায়, নাগরিকের স্বাধীনতা অলঙ্ঘনীয়। তা নিয়ে আলোচনা নিষ্প্রয়োজন। সংবিধান এর অধিকার নিশ্চিত করেছে, তাই তাকে লঙ্ঘন করা যায় না। পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের –এও পর্যবেক্ষন, মতানৈক্য থাকতে পারে। প্রশান্তের এ ধরণের খবর হয়ত প্রকাশ বা লেখা উচিত হয়নি। কিন্তু কী কারণে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে সুপ্রিম কোর্ট।

উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের ভাবমূর্তিকে‘কালিমালিপ্ত’ করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় সাংবাদিক প্রশান্ত কানোজিয়াকে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ,সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেন কানোজিয়া। সে ভিডিয়োতে দেখা যায়,এক মহিলা যোগী আদিত্যনাথের অফিসের সামনে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের কাছে দাবি করেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে একাধিকবার বিয়ের প্রস্তাব রাখেন তিনি। ওই ভিডিয়ো সম্প্রচার করার অভিযোগে নয়ডার একটি বেসরকারি নিউজ চ্যানেলের মালিক এবং সম্পাদককে গ্রেফতার করে পুলিস। প্রশান্তের আইনজীবী শদন ফরসত  আদালতকে জানান, তাঁর মক্কেলকে গ্রেফতার বেআইনি। গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়াই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। সাংবাদিকদের গ্রেফতারে তীব্র সমালোচনা করে এডিটরস গিল্ড অব ইন্ডিয়া। আইনের অপব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ এনে যোগী সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়।