টিডিএন বাংলা ডেস্ক : উত্তর প্রদেশে ৬ষ্ঠ পর্বের নির্বাচনে ৭ জেলায় ৪৯ আসনে ভোট গ্রহণ হয় শনিবার। এ পর্যায়ে ৬৩৫ জন প্রার্থীর মধ্যে ১২৬ অর্থাৎ ২০ শতাংশ প্রার্থীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে। প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা শেষে উত্তর প্রদেশ ইলেকশন ওয়াচ এবং অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস (এডিআর) সূত্রে ওই তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।
নির্বাচনি ময়দানে অবতীর্ণ হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে ১০৯ জনের (১৭ শতাংশ) বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যার চেষ্টা, অপহরণ এবং নারীদের বিরুদ্ধে অপরাধের মতো গুরুতর ফৌজদারি মামলা রয়েছে।
৯ জন প্রার্থী ঘোষণা করেছেন তাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা (ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা) রয়েছে।
হত্যা চেষ্টার (ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা) মামলা রয়েছে ২৩ জন প্রার্থীর বিরুদ্ধে।
দুই জন প্রার্থী বলেছেন, তাদের বিরুদ্ধে নারীর শ্লীলতাহানির উদ্দেশ্যে হামলা বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ এবং ধর্ষণের (৩৫৪ এবং ৩৭৬ ধারা) মামলা আছে।
দলগত দিক থেকে পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, বিজেপি’র ৪৫ প্রার্থীর মধ্যে ১৮ জন (৪০ শতাংশ), বিএসপি’র ৪৯ প্রার্থীর মধ্যে ২৪ জন (৪৯ শতাংশ) রাষ্ট্রীয় লোকদলের ৩৬ জনের মধ্যে ৫ জন (১৪ শতাংশ), সমাজবাদী পার্টির ৪০ প্রার্থীর মধ্যে ১৫ জন (৩৮ শতাংশ), সিপিআইয়ের ১৫ জনের মধ্যে ৪ জন (২৭ শতাংশ), কংগ্রেসের ১০ প্রার্থীর মধ্যে ৩ জন (৩০ শতাংশ) এবং ১৭৫ নির্দলীয় প্রার্থীর মধ্যে ২২ জন (১২ শতাংশ) বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার আসামি।
শনিবার যে ৪৯ টি বিধানসভা আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় তাদের মধ্যে বিজেপি’র ফায়ারব্র্যান্ড নেতা যোগী আদিত্যনাথ,  মাফিয়া-রাজনীতিবিদ মুখতার আনসারি, কেন্দ্রীয়মন্ত্রী কলরাজ মিশ্রের নির্বাচনি কেন্দ্রের দিকে সবার নজর রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ তালিকার মধ্যে সপা প্রতিষ্ঠাতা মুলায়ম সিং যাদবের সংসদীয় নির্বাচন ক্ষেত্র আজমগড়ের ১০টি আসনের ওপরও রয়েছে রাজনৈতিক মহলের নজর। কারণ বাবা-ছেলে (মুলায়ম-অখিলেশ) দ্বন্দ্বের মধ্যে মুলায়ম আজমগড়ে একটিও জনসভা করেননি।