টিডিএন বাংলা ডেস্ক : দেশের ৭২তম স্বাধীনতা দিবসে কাশ্মিরে সর্বাত্মক বনধ পালিত হয়েছে। আজ বনধের ফলে জনজীবন সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কাশ্মিরি নেতা সাইয়্যেদ আলীশাহ গিলানী, মীরওয়াইজ ওমর ফারুক, জম্মু-কাশ্মির লিবারেশন ফ্রন্টের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইয়াসীন মালিকের সমন্বিত যৌথ প্রতিরোধ নেতৃত্বের আহ্বানে ওই বনধের ডাক দেয়া হয়েছিল।

হুররিয়াত কনফারেন্স কাশ্মিরে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগসহ কাশ্মিরি জনতার প্রকৃত অধিকারকে পদদলিত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে দিনটিকে ‘কালো দিবস’ হিসেবেও পালন করা হয়েছে।

আজ বনধকে কেন্দ্র করে কাশ্মির উপত্যকার শ্রীনগরসহ অন্যান্য জেলায় সমস্ত দোকানপাট, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, পেট্রোল পাম্প বন্ধ ছিল। সড়কে যানবাহন ও মানুষজন চলাচল করেনি। আজ সরকারি ছুটির দিন হওয়ায় সরকারি দফতর, ব্যাংক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমনিতেই বন্ধ আছে।

শ্রীনগরের শের-ই-কাশ্মির স্টেডিয়ামে স্বাধীনতা দিবসের মূল অনুষ্ঠান হওয়ায় একে কেন্দ্র করে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় গড়াসহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় প্রচুর পরিমাণে পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী সিআরপিএফ জওয়ান মোতায়েন করা হয়। গেরিলা হামলার আশঙ্কায় বিভিন্ন জায়গায় যানবাহন থামিয়ে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে কর্তৃপক্ষ আজ সকাল থেকেই মোবাইল ইন্টারনেট পরিসেবা বন্ধ রেখেছে।

অন্যদিকে, আজ জেকেএলএফ চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইয়াসীন মালিককে পুলিশ আটক করেছে। আজ ভোরে ফজরের নামাজ শেষে পুলিশের একটি দল তার বাসভবনে এসে তাকে আটক করে কোটিবাগ থানায় নিয়ে যায়।