টিডিএন বাংলা ডেস্ক : অর্থনীতিবিদ কৌশিক বসু শুক্রবার ভারতের বেকারত্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বড় সংস্থাগুলির উপর ফোকাস এবং ক্ষুদ্র সংস্থাগুলির প্রতি অবহেলার অভিযোগ করেছেন।
নিউইয়র্ক টাইমস-এর মতামত নিবন্ধে বসু বলেন, সরকার ডাটা প্রকাশ করছে না বলে চাকরির পরিস্থিতি বুঝতে পারার জন্য বিশ্লেষকদের এখন ব্যক্তিগত উৎস এবং পরোক্ষ প্রমাণের উপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

নিউইয়র্ক টাইমস-এর মতামত নিবন্ধে শিরোনাম ছিল “ভারত বেকারত্বের তথ্য লুকাতে পারে, কিন্তু সত্য নয়”।
কৌশিক বসু বিশ্বব্যাংকের প্রাক্তন প্রধান অর্থনীতিবিদ এবং ২০০৯ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ভারত সরকারের প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

উল্লেখ্য, বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের একটি প্রতিবেদন দাবি করে, গত ৪৫ বছরের তুলনায় ২০১৭-১৮ সালে দেশে বেকারত্বের হার সব চেয়ে বেশি ৬.১ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এই তথ্য ন্যাশনাল সেম্পেল সার্ভে অফিস (এনএসএসও) এর পিরিওডিক লেবার ফোর্স সার্ভে (পিএলএফএস) এর রিপোর্ট থেকে প্রকাশিত হয়েছে।এই রিপোর্ট প্রকাশ না করার কারণে জাতীয় পরিসংখ্যান কমিশনের নির্বাহী চেয়ারম্যান (এনএসসি) সহ দুই সদস্য সোমবার পদত্যাগ করেন।

বসু লিখেছেন যে এই ধরনের “তথ্য ব্ল্যাকআউট” ভারতের বৈশিষ্ট্য নয়, কারন বিশ্বব্যাপী, পরিসংখ্যানগত তথ্য সংগ্রহে অতীতে প্রশংসিত হয়েছে দেশ। সরকারি তথ্যর অনুপস্থিতিতে বেসরকারি গবেষণার ফলাফল ভীতিকর বলে মনে করছেন তিনি। বসু মনিটরিং দ্য ইন্ডিয়ান ইকোনমি ও আজিজ প্রেমজি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তথ্য উদ্ধৃত করেছেন।

তিনি আরও লিখেছেন, মোদী সরকারের অর্থনৈতিক নীতিগুলি প্রায়শই বড় বড় কর্পোরেশনের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছে, ক্ষুদ্র সংস্থাগুলি এবং ব্যবসায়ী, কৃষি খাতে এবং বেশিরভাগ শ্রমিককে উপেক্ষা করেছে। ফলাফল এখন দেখা যাচ্ছে।” অর্থনীতিবিদ বলেন, নোটবন্দী “ভয়ানকভাবে বিভ্রান্ত” প্রমাণিত হয়েছে এবং জিএসটি সঠিক একটি পদক্ষেপ কিন্তু দুর্বলভাবে নিষ্পন্ন করা হয়েছিল।