টিডিএন বাংলা ডেস্ক: ২০১৬ সালে নোট বন্দির সময় এক ধাক্কায় বিনিয়োগ কমে গিয়েছিল ৬০ শতাংশ। যা দেশের অর্থনীতির পক্ষে অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এমনই নাকি রিপোর্ট দিয়েছিল নতুন পত্যক্ষ কর আইন প্রস্তাব করার জন্য গঠন করা এক প্যানেল। প্যানেলের রিপোর্টটি বৃহস্পতিবার ফাঁস করে ইংরেজি দৈনিক “দি হিন্দু”। এমনিতেই এখন দেশে আর্থিক মন্দা চলছে। একের পর এক সংস্থা কর্মী ছাঁটাই করে চলেছে। এই পরিস্থিতি এমনি এক বিস্ফোরক রিপোর্ট প্রকাশ করলো ‘দি হিন্দু’ দৈনিকটি। নোট বন্দি দেশের অর্থনীতিতে যে বড় ধাক্কা ছিল সেই দাবিকে আরও জোরালো করল দৈনিকটির এই প্রতিবেদন। ইংরেজি দৈনিকটির প্রতিবেনে সংশ্লিষ্ট প্যানেলের রিপোর্ট উল্লেখ করে বলা হয়, ২০১৫-২০১৬ অর্থবর্ষে দেশের মোট দেশীয় পণ্য( গ্রস ডোমেস্টিক প্রডাক্ট বা জিডিপি) যেখানে কর্পোরেট বিনিয়োগ ছিল ৭.৫ শতাংশ সেখানে নোটবন্দি সময় অর্থাৎ ২০৬-২০১৭ অর্থবর্ষ এই কর্পোরেট বিমিয়োগের পরিমান কমে দাঁড়ায় মাত্র ২.৭ শতাংশ।

উল্লেখ্য, সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ডিরেক্ট ট্যাক্সেস বা সিবিডিটি-র প্রাক্তন সদস্য আরবিন্দের নেতৃত্বে ২০১৭ সালের নভেম্বরে একটি ৬ সদস্যের প্যানেল তৈরি করে মোদি সরকার । সেই প্যানেল টি তৈরি করা হয়েছিল আয়কর আইনের খসড়া কে নতুন করে তৈরি করার জন্য। অরবিন্দ নেতৃত্বাধীন প্যানেলটি ২০১৮ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর অর্থমন্ত্রকে একটি রিপোর্ট পেশ করে। ওই বছরেরই ৩০ সেপ্টেম্বর অবসর নেন অরবিন্দ। প্যানেলর নতুন প্রধান হন অখিলেশ রঞ্জন। সোমবারই অর্থমন্ত্রকে নিজের রিপোর্ট পেশ করেছেন রঞ্জন। সেই রিপোর্ট সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের পক্ষ থেকে এখনও প্রকাশ করা হয়নি।