টিডিএন বাংলা ডেস্ক : গত সোমবার মধ্যপ্রদেশের মুরেনা জেল থেকে  ২ কয়েদী পালানোর পর জেল প্রশাসন এক কড়া পদক্ষেপ  জানিয়ে দিল। এইবার কোন কয়েদী জেল ভেঙে পালানোর চেষ্টা করলে তাদের সরাসরি গুলি করে হত্যা করার আদেশ জারি করল জেল কতৃপক্ষ। এই আদেশ সব জেলার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য বলে জানায় তারা।
উল্ল্যেখ্য যে, মুরেনার জেল থেকে সোমবার ২ কুখ্যাত আসামী অনিল রাঠৌড় এবং ওমপ্রকাশ জাট জেলের প্রাচীর ভেঙে পালিয়ে যায়। ওমপ্রকাশ মথুরার বাসিন্দা এবং অনিল মুরেনা জেলারই বাসিন্দা। এই দুই কুখ্যাত আসামী পালিয়ে যাওয়ার পর ৪ জন জেল কর্মীকে বরখাস্ত করা হয়।
এই ঘটনার পরই গত মঙ্গলবার ভোপালে অবস্থিত জেলের প্রধান কার্যালয় থেকে সমস্ত জেল আধিকারিকদের উদ্দ্যেশ্যে একটি আদেশ জারী করে বলা হয়, যদি কোন কয়েদী জেল ভাঙার চেষ্টা, জানালা বা দরজা ইত্যাদি ভাঙার চেষ্টা করতে গিয়ে ধরা পড়ে তাহলে তাকে তৎক্ষনাৎ গুলি মেরে হত্যা করতে হবে।
মুরেনা জেল থেকে পালানো দুই কয়েদী ওই জেলের দায়ীত্বে থাকা জেলারের পুরানো অফিস পরিস্কার করার দায়ীত্ব পেয়েছিল। সেখানে তারা রোজ পরিস্কার করতে যেত। এইভাবে তারা ষড়যন্ত্র করে দেওয়াল ভেঙে পালাতে সক্ষম হয়।
উল্ল্যেখ্য যে, গত বছরের ৩০শে অক্টোবর ভোপাল সেন্ট্রাল জেল থেকে কিছু সিমি সদস্যের কথিত পালানোর অভিযোগে তাদের গুলি করে হত্যা করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে এক জেল গার্ডকে হত্যার অভিযোগও করা হয়। এই ঘটনার পরপরই জেল সুরক্ষায় কড়া নিয়ম চালু করা হয়, কিন্তু তারপরও মুরেনা জেল থেকে কয়েদী পালানোর ঘটনা সত্যিই আইন – ব্যাবস্থার ফাক – ফোকর গুলো তুলে ধরছে।