টিডিএন বাংলা ডেস্ক: লাদাখ সীমান্তে ভারত-চিনের উত্তেজনার পরিবেশের মধ্যেই অন্তত পক্ষে দুমাসের জন্য এলপিজি সিলিন্ডার মজুদ করে নেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করলো জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন। বিষয়টি নিয়ে মার্কেটিং কোম্পানিগুলোকে নির্দেশ জারি করেছে তারা। পাশাপাশি কারগিলের নিকটবর্তী গাডারওয়াল জেলার ১৬টি স্কুলকে বিল্ডিং খালি করারও নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, সেই জায়গা গুলোতে এবছরের অমরনাথ যাত্রার নিরাপত্তার দায়িত্বে আসা প্যারামিলিটারি বাহিনী আস্তানা গাড়বে৷ বালাকোট এয়ার স্ট্রাইক ও গত বছরের আগস্টে সংবিধানের ৩৭০ ধারা রদ করার আগে এমনভাবেই নানা নির্দেশ জারি করেছিল প্রশাসন৷ যদিও এবার কী জন্য এই নির্দেশনা? নতুন কোনও যুদ্ধের প্রস্তুতি? নাকি রুটিন? এনিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। এদিকে এরই মাঝে আবার আকাশে জেট উড়ছে নিয়মিত৷ ফলে আরো বেশি উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন কাশ্মীরিরা৷

এক সিনিয়র সরকারি অফিসার জানান, কাশ্মীরের জনগণ হয়তো একটু বেশিই কল্পনা করে ফেলছেন৷ অনেক গুজব ছড়াচ্ছে৷ সোশ্যাল মিডিয়াতেও এটা নিয়ে জোর চর্চা হচ্ছে৷ কাশ্মীরিরা বিষয়টি নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন৷ ঘরপোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ডরায়৷ কাশ্মীরিরা এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন আগেও হয়েছেন৷ তাই গুজব ছড়াতে বেশি দেরি লাগছে না৷ এলপিজি সিলিন্ডার মজুদ করে রাখার যে নির্দেশটি জারি করা হয়েছে, তাতে অনেকে আশঙ্কা করছেন, শ্রীনগর-জম্মু হাইওয়ে ভূমিধ্বসের কারণে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই আগে থেকেই এই ব্যবস্থা৷ সিএপিডি ডিরেক্টর বশির আহমেদ খান জানাচ্ছেন, সাধারণত আমরা এক মাসের স্টক রাখি৷ এ বছর জাতীয় সড়কটিতে বিপদের সম্ভাবনা প্রবল৷ এছাড়া রাস্তা সম্প্রসারণের কাজ চলছে৷ এ সব কথা মাথায় রেখেই দুমাসের গ্যাস মজুদ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ দুটি নির্দেশকেই রুটিন ব্যাপার বলা হলেও লাদাখ সীমান্তে ভারত-চিন উত্তেজনার মধ্যে একে অন্যভাবে দেখছেন স্থানীয়রা৷