টিডিএন বাংলা ডেস্ক : ধর্মীয় কুসংস্কার ও বদ্ধমূল ধারণা ভেঙ্গে শবরীমালা মন্দিরে পূজো দেয় দুই মধ্যবয়সি মহিলা বিন্দু আম্মিনি ও কনকদুর্গা। ঋতুমতী মহিলা হিসাবে মন্দিরে ঢুকে পুজো দিতে পারা প্রথম মহিলা হিসেবে কৃতিত্বের দাবিদার তাঁরা। কারণ শবরীমালায় ১০ থেকে ৫০ বছর বয়সি মহিলাদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আছে বহু বছর ধরে। সেই নিয়ম ভাঙার সাহস দেখিয়েছেন এই দুই মহিলা।

গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয় যে, সব বয়সি মহিলারা কেরালার শবরীমালা মন্দিরে ঢুকে আয়াপ্পা দেবকে পূজা দিতে পারবে। তাসত্ত্বেও গেরুয়া বাহিনী ও মন্দির কতৃপক্ষ বারবার অগ্নিগর্ভ করে তোলে মন্দির চত্বর। এর মধ্যেই, চলতি মাসে পুলিশি নিরাপত্তায় মন্দিরে গিয়ে পুজো দিয়ে চলে আসেন কান্নুর বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনের অধ্যাপিকা বিন্দু আম্মিনি এবং সরকারি কর্মচারী কনকদুর্গা।

কিন্তু এখন নিয়মিত প্রাণনাশের হুমকি আসছে তাঁদের কাছে। এখনও তাঁরা বাড়ি ফিরতে পারেন নি। কোচির এক গুপ্ত ডেরা থেকে কনকদুর্গা জানান, “আমাদের অনেকে বারণ করেছিল। সবাই বলেছিল আমরা পারব না। আর পারলেও বাঁচব না। এখন পেরে তো গেছি, কিন্তু রোজ হুমকি দেওয়া হচ্ছে মেরে ফেলার। কিন্তু ভয় পাচ্ছি না আমরা।”

বিন্দু বলেন, “আমাদের পরিবারের লোকেদেরও হুমকি দেওয়া হচ্ছে।পরিস্থিতি কারও অজানা নয়। আমাদের যথেষ্ট সাহায্য করছে প্রশাসন। কিন্তু উগ্র ধর্মান্ধ সদস্যদের নিয়ন্ত্রণ করার কাজটা বিজেপিকে করতে হবে।”