টিডিএন বাংলা ডেস্ক : মর্গের ঠিক পাশের ঘরে থাকতে গিয়ে বেজায় অস্বস্তি। দুর্গন্ধে টেকা দায়।  রাত বিরেতে হঠাৎ হঠাৎ ঘুম ভেঙে যায়, তখন ঘুটঘুটে অন্ধকারের মধ্যে আশে পাশে তাকিয়েও কোন কিছুই খুঁজে পাওয়া যায় না। আওয়াজ এর উৎস খুঁজে না পাওয়াতে চড়তে থাকে অস্বস্তির পারদ।  কেমন যেন একটা দম বন্ধ করা ভাব। তার উপরে সারারাত ধরে অবিরাম চলা কুকুরের ডাক। কোনও কারণ ছাড়া আশে পাশের এলাকায় থাকা কুকুরগুলি ডেকে ওঠে রাত বাড়লেই। ফলে ঘুমের দফারফা। এই অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন একজন একজন রোগী কি করে সুস্থ হবে? তার উপরে তিনি যদি হন লালুপ্রসাদ যাদবের মত হেভিওয়েট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, তাহলে তো আর কথাই নেই।

যদিও লালু প্রসাদ যাদব হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি লিখেছেন, যেখানে যত দ্রুত সম্ভব তাকে পেয়িং বেডে স্থানান্তরের জন্য আবেদন জানানো হয়েছে। তার জন্য যে অতিরিক্ত টাকা প্রয়োজন তার তার পুরো অংশটাই দেবেন লালু প্ৰসাদ যাদব

পশুখাদ্য মামলায় সাজাপ্রাপ্ত লালুপ্রসাদ যাদব ৩০ অগস্ট রাঁচির সিবিআই আদালতে আত্মসমর্পন করেন।

তারপরে কয়েকটি টেস্ট হয় তাঁর। যাতে অসঙ্গতি পাওয়ার পরে লালুকে হাসপাতলে ভর্তি করানো হয়।

সূত্রে খবর যেখানে যাবতীয় সমস্যায় জর্জরিত হয়ে পড়েছেন লালু, যার জেরে হাসপাতাল সুপারকে চিঠি লেখার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। চালু যাত্রী হাসপাতালে সুপারকে চিঠি লেখার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। যেখানে মর্গের পাশে মানব শরীরের যত্র তত্র ফেলা। সেগুলি খাওয়ার জন্য ভিড় করে কুকুর। এই জায়গা থেকে যে পরিমান দুর্গন্ধ বেরোয় তাতে যে কোনও সুস্থ লোক অসুস্থ হয়ে পড়বে। রোগীরা যে কিভাবে বেঁচে থাকছেন, সেটা সত্যিই অবাকীয় বিষয়