টিডিএন বাংলা ডেস্ক: আবার পিটিয়ে খুনের ঘটনা। তবে এবার কোনো গুরু চোর সন্দেহে বা জয়শ্রীরাম বলানোর কারণে নয়। এবার পিটিয়ে খুন হয়েছে রাজনৈতিক কারণে। মমতার ২১ শের সভায় যাওয়ার শাস্তি হিসেবে এক তৃণমূল কর্মীকে বাঁশ, রড, লাঠি দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠলো বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে। সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে আরামবাগে। ঘটনার তদন্তে নেমে ইতিমধ্যেই ৩ বিজেপি কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে গোঘাট থানার পুলিশ। যদিও দলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেই দাবি করেছেন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।

জানা গিয়েছে, লালচাঁদ নামে ওই ব্যক্তি ও তাঁর গোটা পরিবারই সক্রিয় তৃণমূল কর্মী হিসেবেই ওই এলাকায় পরিচিত। শাসকদেলর ২১ জুলাইয়ের অনুষ্ঠানেও গিয়েছিলেন ওই ব্যক্তি ও তাঁর তিন ভাই। অভিযোগ, সেই কারণেই তাঁর উপর ক্ষুব্ধ হন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। এরপর সোমবার রাতে বাড়ি ফেরার সময় তাঁর পথ আটকায় বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী। অভিযোগ, সেখানেই লাঠি, রড, বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় লালচাঁদকে। এরপর রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে রাস্তার উপর ফেলে রেখে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। স্থানীয়রা লালচাঁদকে উদ্ধার করে আরামবাগ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় তাঁর। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লালচাঁদের দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়।

সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই মৃতের পরিবারের তরফে গোঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ৩ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী হওয়ার কারণেই ওই ব্যক্তিকে খুন করেছে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। যদিও বিজেপির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের। তাঁদের কথায়, ভোটের আগে থেকেই তৃণমূল কর্মীরা একাধিক জায়গায় অশান্তি করে বিজেপিকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে। এই ঘটনাও সেরকমই এক চক্রান্ত। বিজেপি কোনওভাবেই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, খুনের ঘটনায় যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারাও তৃণমূলেরই কর্মী। বিজেপির সঙ্গে অভিযুক্তদের কোনও যোগাযোগ নেই।