টিডিএন বাংলা ডেস্ক: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে ভারতে আসার আমন্ত্রণ জানাবে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদীর সরকার। বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এক সম্মেলন এমনটাই জানাল কেন্দ্র। কিছুদিন পর ভারতে শাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের এক শীর্ষ সম্মেলন আয়োজন করবে। আর সেই শীর্ষ সম্মেলনে আটটি দেশ ও চারটি পর্যবেক্ষককে আমন্ত্রণ জানানো হবে। তার মধ্যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকেও আমন্ত্রণ জানানো হবে, বৃহস্পতিবার বিকেলে একথায় জানিয়েছেন বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রভীশ কুমার।

উল্লেখ্য, সন্ত্রাসবাদ দমনের লক্ষ্যে ২০০১ সালে এসসিইও প্রতিষ্ঠা করে চীন, কিরগিজ প্রজাতন্ত্রস কাজাখস্তান, তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তান। এসসিইও আট সদস্যের নেতৃত্বে রয়েছে চীন। ২০১৭ সালে এসসিও-তে ভারত ও পাকিস্তানকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। গত বছরের জুনে কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে হওয়া সম্মেলনে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও ইমরান খান। সেখানেই পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে দেশ সন্ত্রাসকে মদত দেয় ও সমর্থন করে তাদের সন্ত্রাসের জন্য দায়ী করতে হবে।

সন্ত্রাসবাদ দমনে এসসিও-র সব সদস্যকে একসঙ্গে এগোতে হবে, একথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাসের সঙ্গে লড়ার জন্য বিশ্ব সম্মেলনের ডাক দিয়েছেন।

ভারত একথা জানানোর আগে এদিনই রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে চিনের সাহায্যে জম্মু ও কাশ্মীর ইস্যু তোলার জন্য পাকিস্তানের নিন্দা করে কেন্দ্রীয় বিদেশ মন্ত্রক। এই নিয়ে তৃতীয় বার জম্মু ও কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদে রুদ্ধদ্বার করতে চাইল চিন। কিন্তু সেখানে অন্য দেশগুলি জানিয়ে দিয়েছে, এটা সেই আলোচনার মঞ্চ নয়।