টিডিএন বাংলা ডেস্ক: পর্ন সাইটগুলি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দিষ্ট গাইডলাইন রয়েছে। ২০০০ সালে এই বিষয়ে আইন প্রণয়নও করা হয়। ২০০৮ সালে সংশোধন করা হয় আইন। কিন্তু বাস্তবে বন্ধ করা যায়নি পর্ন সাইটে কুরুচিকর বিষয়বস্তুর আনাগোনা। দেশের মহিলাদের ধর্ষণ ও যৌন হেনস্থায় ইন্ধন যোগাচ্ছে পর্ন সাইটের কুরুচিকর বিষয়বস্তু, এমনটাই দাবি জানিয়ে সমস্ত ধরনের পর্ন সাইট নিষিদ্ধ করার আবেদন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে চিঠি পাঠালেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার। ডিসেম্বরের ৬ তারিখে গোপালগঞ্জে ‘জল-জীবন-হরিয়ালী’ যাত্রার সময়ই তিনি বলেছিলেন, সমস্ত অশ্লীল সাইটগুলি বন্ধ করার আবেদন করে কেন্দ্রকে চিঠি লেখার কথা ভাবছেন তিনি। এর পরেই এদিন তিনি চিঠি লিখেন।

সূত্রের খবর, ক্রমবর্ধমান গণধর্ষণ নিয়ে শোক ও গভীর চিন্তাপ্রকাশ করে তিনি লেখেন, ‘ইন্টারনেটে পাওয়া সমস্ত অনুপযুক্ত ও কুরুচিকর বিষয়বস্তুগুলিকে বন্ধ করার নিয়ম সত্বর লাগু করে হোক। পর্ন সাইটগুলি সাধারণ মানুষের মনে ধর্ষনের মতো জঘন্য অপরাধের প্রবণতা তৈরী করছে।’

নীতিশ আরও বলেন, পর্ন সাইটগুলি সবচেয়ে বেশী প্রভাব বিস্তার করছে শিশু ও কিশোরদের মনে। ধর্ষন বা যৌন হেনস্থার মতো ঘৃণ্য কাজগুলির ভিডিও মানুষ সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিচ্ছে এবং অচিরেই তা পৌঁছে যাচ্ছে শিশু ও কিশোরদের হাতে হাতে। দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের বিষয়বস্তু দেখার ফলে তা গভীর প্রভাব ফেলছে শিশুমনে। মহিলাদের ওপর যৌন নির্যাতনের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ার অন্যতম কারণ হিসাবে পর্ন সাইটগুলিকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন নীতিশ কুমার।

নীতিশ কুমার বলেন, বাকস্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নামে পর্ন সাইটগুলি চলতে দেওয়া উচিত নয়। ইন্টারনেট সরবরাহকারীদের মধ্যে এবিষয়ে সতেচনতামূলক প্রচার চালানোর ওপর জোর দেন তিনি।