টিডিএন বাংলা ডেস্ক : উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে মুসলিম প্রার্থী কেন দেওয়া হলনা ? রাজনাথ সিং এবং উমা ভারতীর পর এইবার মুখতার আব্বাস নকভীও এই প্রশ্ন তুললেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নকভী গত সোমবার বলেন, “ভালো হত যদি বিজেপি মুসলিম প্রার্থী দিতো।” উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনের পাঁচ দফার ভোট শেষ হয়ে গিয়েছে এবং আর মাত্র দু’ দফার ভোট বাকি আছে। এমতাবস্থায় নকভীর বয়ানের কোন গুরুত্ব নেই বলেই অনেকে মনে করছেন।
সংখ্যালঘু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নকভী আরো বলেন, “বিজেপি সমাজের সকল সম্প্রদায়ের মানুষদের সঙ্গে নিয়ে চলায় বিশ্বাসী।” রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে মুসলিম সম্প্রদায়ের কথা বিশেষভাবে ভাবা হবে বলেও তিনি জানান। তিনি মন্তুব্য করেন, যদি মুসলিম প্রার্থী দেওয়া হতো তাহলে পরিস্থিতি আরো ভালো হতে পারত।
উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের ৭ম দফার ভোট গ্রহণ হবে ৮ মার্চ।
এর আগে উমা ভারতীও মুসলিম প্রার্থী না দেওয়ার বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলেছিলেন। জল সম্পদ মন্ত্রী উমা ভারতী বলেছিলেন, “বিজেপি উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনে মুসলিম প্রার্থী না দিয়ে খুব বড় ভুল করেছে।
গত রবিবার একটি সংবাদমাধ্যমে আলোচনায় তিনি বলেন, “নির্বাচনী লড়াইয়ে কোন মুসলিম প্রার্থী নামাতে না পারার জন্য আমি সত্যিই দুঃখিত। আমি এই ব্যাপারে অমিত শাহ এবং উত্তরপ্রদেশ বিজেপি সভাপতি কেশব প্রসাদ মৌর্যের সঙ্গেও কথা বলেছিলাম যে, কীভাবে অন্তত একটি মুসলমানকেও বিধানসভায় নিয়ে আসা যায়।” উমা ভারতী রাজনাথ সিংয়ের বক্ত্যব্যকেও সমর্থন করেছিলেন।
সম্প্রতি রাজনাথ সিংও এই বিষয়ে বিজেপিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছিলেন। গৃহমন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেছিলেন, “উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনে মুসলিমদের প্রার্থী করা উচিৎ ছিল।”
রাজনাথ সিং বিগত সপ্তাহে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “আমরা বেশকিছু রাজ্যে সংখ্যালঘুদের প্রার্থী করেছি, এখানেও হয়তো এই বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল। আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম না। আমাকে যা বলা হয়েছে, আমি তার উপর নির্ভর করেই বলছি। হতে পারে বিজেপির সংসদীয় কমিটি সেখানে যোগ্য কাউকে পায়নি। কিন্তু আমার মনে হয় কিছু মুসলিম প্রার্থী সেখানে দাঁড় করানো উচিৎ ছিল।”