আবু ওয়াহিদা,টিডিএন বাংলা : পঁয়তাল্লিশ দিন পরও জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নাজিব আহমেদ নিখোঁজ।
গত সোমবার দিল্লি হাইকোর্ট পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয়কে সব রাজনৈতিক বাধা অতিক্রম করে ছাত্রটির সন্ধান করতে বলল। এছাড়াও বিচারপতি জি এস সিস্তানি ও বিনোদ গোয়েল এর ডিভিশন বেঞ্চ উল্লেখ প্রশ্ন করে-কেন পুলিশি রিপোর্টে নাজিব নিখোঁজ হওয়ার আগে এবিভিপি কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তির বিষয় উল্লেখ করা হয়নি?
খবরে প্রকাশ,নাজিবের খোঁজ পেতে যথাযথ অনুসন্ধানের জন্য কোর্টের হস্তক্ষেপ দাবি করেছিলেন নাজিবের অসহায় মা ফাতিমা নাফিস।
হাইকোর্টের আরও প্রশ্ন-১৪ অক্টোবর রাতে নাজিবকে সাফদারজুং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় কিন্তু পুলিশি রিপোর্টে তা বলা হয়নি কেন?কে এই রিপোর্ট প্রস্তুত করেছে ?পুলিশ কারণ ব্যাখ্যা করুক।”
বেঞ্চ আরো উল্লেখ করে যে এই ঘটনায় জড়িত আট এবিভিপি ছাত্রদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। দিল্লি পুলিশের অ্যাডভোকেট রাহুল মেহরা বেঞ্চকে জানায় যে ঘটনায় জড়িত ছাত্রদের ১১ নভেম্বর SIT জিজ্ঞাসাবাদ করেছে আর সেই দিনেই এর তদন্ত ক্রাইম শাখায় হস্তান্তর করা হয়।
কিন্তু নাজিবের মায়ের পক্ষে সিনিয়র অ্যাডভোকেট কলিন গনসালভেস বলেন, “পুলিশ মূল সন্দেহভাজন এবিভিপির কর্মীদের  জিজ্ঞাসাবাদ করেনি।”
হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ পুলিশের উদ্দেশ্যে বলেন, “এ বিষয়ে আপনাদের কি করণীয় নিশ্চয় সেই নির্দেশনা দিতে হবে না।”
পুলিশের পক্ষ থেকে সাদা পোশাক পরিহিত একদল লোক এই ঘটনায় জড়িত বলে জানানো হয়েছে।
আদালতের আরো জিজ্ঞাসা পুলিশ এই তথ্যটি দেখুক নাজিবকে জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটা অটোতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
এদিকে দিল্লি পুলিশ নাজিব সম্পর্কে তথ্য প্রদান কারীর জন্য ১০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে।
#টিডিএন বাংলা