টিডিএন বাংলা ডেস্ক : মুসলিমদের উপর এদেশে আক্রমণ নতুন কোনও ঘটনা নয়। ইতিপূর্বেও আক্রমণ হয়েছে। বাবরি মসজিদ ধ্বংসের সময় এবং মুম্বাই বিস্ফোরণ ঘটনার পর মুসলমানদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক মিথ্যা মামলা দায়ের হয়েছে। সময়ের দাবি, দলিত হিন্দু ও মুসলমান একত্রিত হলেই ফ্যাসিবাদী অপশক্তিদের রোখা যাবে। এই মন্তব্য বোম্বে হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি বি জি কোলসে পাতিলের।

স্টুডেন্টস ইসলামিক অর্গানাইজেশন অফ ইন্ডিয়া আয়োজিত হায়দরাবাদের এক সভায় বক্তৃতা দিয়েছেন বিচারপতি পাতিল। তিনি বলেন, দলিত ও মুসলিমদের এগিয়ে আসতে হবে। না হলে বাড়িতে বসে বসেই মার খেতে হবে। তিনি আরও বলেন, রোহিত ভেমুলার চিঠি আমি পড়েছি। সে তার মৃত্যুর জন্য দায়ী করেছে সংঘ পরিবারের বৈষম্যমূলক আচরণকে।

বিচারপতি পাতিল এদিনর জানান, গুজরাতে যে দাঙ্গা হয়েছিল, সেই দাঙ্গা হঠাৎ কোনো প্রতিক্রিয়া নয়। বহু আগে থেকেই দলিত আদিবাসীদের মগজ ধোলাই করে বলা হয়েছিল মুসলিমরা তাদের শত্রু। গেরুয়া শিবিরের লোকরা নিজেদের বাড়ির বেঁচে যাওয়া খাদ্য রাস্তায় ছড়িয়ে দিয়ে বলতো মুসলমানরা বিরিয়ানি পথের উপর বিছিয়ে দিচ্ছে আর তোমরা অভুক্ত রয়েছ।

তার মতে, সরকারি অফিসাররা সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনে শামিল ছিল। এটিএস অফিসার হেলথ কারে শেষ ফ্যাসিবাদী শক্তির মুখোশ খুলতে চেয়েছিলেন। তিনি বলেন, হেমন্ত কারকারে আজমলের কিংবা অন্য কোনও জঙ্গির গুলিতে মারা যাননি। তাকে হত্যা করা হয়। সংঘ পরিবার ও আইবির চক্রান্ত রয়েছে হেমন্ত হত্যার পিছনে।

এসআইও-র এই সভায় উপস্থিত ছিলেন রোহিত ভেমুলার মা, নিখোঁজ জেএনইউ ছাত্র নাজীব আহমেদের মা ফাতেমা নাফিজ, জেএনইউ-এরআরেক ছাত্র উমার খালিদ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিপ্লবী কবি গদার, ছাত্রনেতা ডি ভাস্কর, নাগেশ্বর রাও এবং লায়েক আহমদ খান।