টিডিএন বাংলা ডেস্ক: এনআরসি-সিএএ নিয়ে বিজেপির অন্দরেই চরম বিতর্ক। এনআরসি-সিএএ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দু’রকম কথা বলছেন। মোদি–শাহের ভাষণে ফুটে উঠছে ভয়। দুই শীর্ষ নেতার বক্তব্যে কোনও মিল নেই, এই তার প্রমাণ। আর এই নিয়ে চরম বিদ্রোহ শুরু হয়েছে দলের মধ্যেই। এমনকি বৈষম্যের অভিযোগ তুলেছে দলের একাংশ। যার জেরে এনআরসি এবং সিএএ ইস্যুকে কেন্দ্র করে একে একে বিজেপি ছাড়লেন মধ্যপ্রদেশের ভোপালের ৪৮ জন সদস্য। তাঁরা প্রত্যেকেই বিজেপির সংখ্যালঘু সেলের সদস্য বলে জানা গেছে।

দলত্যাগী ও বিদ্রোহী ওই কর্মীদের বক্তব্য, দলের কিছু সদস্য একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। মোদি সরকারের দিকে সরাসরি আঙুল তুলেছেন সৈয়দ আলি খান। তিনি সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, ‘‌আপনি কি কখনও কোনও সরকারকে সংসদে একটি আইন পাস করানোর পর ঘরে ঘরে গিয়ে তার পক্ষে সমর্থন চাইতে দেখেছেন?’‌ উল্লেখ্য, যে নেতারা এই ইস্যুতে দল ছেড়েছেন সৈয়দ আলি খান তাঁদের মধ্যে অন্যতম।

সূত্রের খবর, দলত্যাগীদের অভিযোগ দলের মধ্যে কোনও গণতন্ত্র অবশিষ্ট নেই। দুই বা তিনজন লোক পুরো পার্টিকে ‘হাইজ্যাক’ করে রেখেছে বলে তাঁদের অভিযোগ। যদিও বিজেপির তরফে এই অভিযোগগুলি অস্বীকার করা হয়েছে। বরং উলটে বিজেপির তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, কংগ্রেস এবং বামপন্থীরা দলত্যাগীদের বিভ্রান্ত করেছে।